default-image

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৫টি মিউচুয়াল ফান্ডের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গতকাল দুই সদস্যের এ তদন্ত কমিটি গঠন করে। গতকালই এ–সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিএসইসি যে পাঁচটি মিউচুয়াল ফান্ড নিয়ে কারসাজির ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সেগুলো হলো সিএপিএম আইবিবিএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড, এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ড, ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালেন্সড ফান্ড, এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড–১ ও প্রাইম ফাইন্যান্স ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে সিএপিএম আইবিবিএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডের ১১ টাকা ৩০ পয়সার প্রতিটি ইউনিটের দাম গত ১৮ অক্টোবর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত এক মাসে দ্বিগুণের বেশি বা ১২৬ শতাংশ বেড়ে হয়েছে প্রায় ২৬ টাকা।

বিজ্ঞাপন

একইভাবে এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ডের দাম ৭ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৮৯ শতাংশ বা ৬ টাকা ৮০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪ টাকায়। ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালেন্সড ফান্ডের দাম ৭ টাকা থেকে ৮৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩ টাকায়। এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড–১–এর দাম ৬০ শতাংশের বেশি বেড়ে হয়েছে ১১ টাকা ৪০ পয়সা আর প্রাইম ফাইন্যান্স ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ডের দাম এক মাসে বেড়েছে ৫৬ শতাংশ বা ৯ টাকা।

অথচ গত এক মাসে ফান্ডগুলোর সম্পদমূল্যের বড় ধরনের কোনো উন্নতি হয়নি। তাই এ মূল্যবৃদ্ধির পেছনে কারসাজি রয়েছে বলে মনে করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এ কারণে সংস্থাটির উপপরিচালক ওহিদুল ইসলাম ও সহকারী পরিচালক নান্নু ভূঁইয়ার সমন্বয়ে গঠিত দুই সদস্যের তদন্ত কমিটিকে এ কারসাজি খুঁজে বের করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে কারসাজিকারক ও কোথায় কোথায় আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে, তা খুঁজে বের করে কমিশনে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

মন্তব্য পড়ুন 0