বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে কোম্পানিটির কাছে ব্যাখ্যা তলব করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল সোমবার বিএসইসির পক্ষ থেকে কোম্পানিটিকে এ–সংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হয়।

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর গত ১০ জুলাই সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গত ডিসেম্বরে সমাপ্ত আর্থিক বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি ২ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এ জন্য রেকর্ড তারিখ ছিল ৪ আগস্ট। নিয়ম অনুযায়ী, রেকর্ড তারিখে যেসব বিনিয়োগকারীর হাতে শেয়ার থাকবে, তাঁরাই ঘোষিত লভ্যাংশ পাবেন। কিন্তু সোনালী লাইফ রেকর্ড তারিখে শেয়ারধারণকারী সব বিনিয়োগকারীর মধ্যে ঘোষিত বার্ষিক লভ্যাংশ বিতরণ করেনি।

কোম্পানিটি স্টক এক্সচেঞ্জে লভ্যাংশ বিতরণসংক্রান্ত যে প্রতিবেদন দাখিল করেছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে, ২০২০ সালে সমাপ্ত আর্থিক বছরের জন্য সোনালী লাইফ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করেছে ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন সাড়ে ৪৭ কোটি টাকা। সব শেয়ারধারীকে ঘোষিত ১০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিতে হলে কোম্পানিটিকে ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বিতরণ করতে হবে। সেই হিসাবে ঘোষিত লভ্যাংশ ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা কম বিতরণ করেছে কোম্পানিটি। কেন কোম্পানিটি শেয়ারধারীদের মধ্যে কম লভ্যাংশ বিতরণ করেছে, এক সপ্তাহের মধ্যে তার ব্যাখ্যা দিতে বলেছে বিএসইসি। তবে অন্তর্বর্তীকালীন যে ২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে, সে বাবদ ৯৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে বলে স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে জানানো হয়েছে।

জানতে চাইলে কোম্পানি সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘বিমা আইন অনুযায়ী বছরভিত্তিক মূল্যায়নের ভিত্তিতেই এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ডিএসইর পক্ষ থেকে আমাদের ডাকা হয়েছে। আমরা আমাদের বক্তব্য তাদের কাছে তুলে ধরব।’

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন