default-image

শেয়ারবাজারে লেনদেন হঠাৎ কমে যাওয়ায় কিছুটা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। বিষয়টি ভাবাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকেও। তাই লেনদেন কমে যাওয়ার কারণ খুঁজে দেখা হচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল সোমবার দিন শেষে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭১৮ কোটি টাকা। গত দেড় মাসের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন লেনদেন।

আজ মঙ্গলবার প্রথম আধা ঘণ্টায় ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১১৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকার। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২ পয়েন্ট। হাতবদল হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩১ টির, কমেছে ৪৩ টির, অপরিবর্তিত আছে ৮৮ টির।

গত দুই কার্যদিবসে বড় দরপতন হয়েছে ডিএসইতে। ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ২২৫ পয়েন্ট। এর মধ্যে গতকাল ডিএসইএক্স ৫০ পয়েন্ট বা প্রায় ১ শতাংশ কমে নেমে এসেছে ৫ হাজার ৬০০ পয়েন্টে। আর লেনদেন কমেছে আগের দিনের চেয়ে ১০৫ কোটি টাকা।

বিজ্ঞাপন

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিশ্রেণির বড় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ মুনাফা তুলে নিয়ে একটু অপেক্ষায় আছেন নতুন বিনিয়োগের জন্য। দাম কমলে তাঁরা আবার বিনিয়োগ শুরু করবেন। অনেকে মুনাফা তুলে নিয়ে অপেক্ষায় থাকলেও কেউই অর্থ সরিয়ে নিচ্ছেন না। তাই বাজার নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষস্থানীয় একটি ব্রোকারেজ হাউসের প্রধান নির্বাহী বলেন, আজ মঙ্গলবার নতুন একটি কোম্পানির লেনদেন শুরু হবে। সাম্প্রতিক সময়ে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো থেকে ভালো মুনাফা পেয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এ কারণে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার কেনার জন্য অনেকে অন্যান্য শেয়ার বিক্রি করে টাকা ফ্রি করে রেখেছেন।

এ ছাড়া বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও কয়েকটি কোম্পানির উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করেছেন। এসব কারণে বাজার গতকাল নেতিবাচক ছিল।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন