default-image

শেয়ারধারীদের জন্য ব্যাংকের লভ্যাংশ দেওয়ার সীমা বাড়াতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী আছে, এমন ব্যাংকগুলো শেয়ারধারীদের নগদ ও বোনাস মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত লভ্যাংশ দিতে পারবে। আগে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত লভ্যাংশ দেওয়ার অনুমোদন ছিল। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নগদ ১৫ শতাংশ ও চাহিদামতো বোনাস লভ্যাংশ দিতে পারবে।

আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসি কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সভায় বিএসইসি পক্ষে চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম ও কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষে নির্বাহী পরিচালক মাসুদ বিশ্বাস ও মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল ইসলামসহ দুই সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক এর আগে দেশের ব্যাংকগুলো শেয়ারধারীদের কত লভ্যাংশ দিতে পারবে, তা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছে, কোনো ব্যাংক এখন থেকে নগদ ও বোনাস মিলিয়ে শেয়ারধারীদের ৩০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ দিতে পারবে না।

গতকালের সভায় তা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগে নীতিমালা করেছিল, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নগদে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে পারবে।

নতুন সিদ্ধান্তের ফলে মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী আছে, এমন ব্যাংকগুলো শেয়ারধারীদের নগদ ও বোনাস মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত লভ্যাংশ দিতে পারবে।

আজকের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, নগদ লভ্যাংশের বাইরে চাহিদামতো বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।

আজকের সভায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষে জানানো হয়, ২৬ ব্যাংক মিলে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১৫০ কোটি টাকা এরই মধ্যে বিনিয়োগ করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে শেয়ারবাজারে নিয়মিত বিনিয়োগ করতে দুই সংস্থায় উৎসাহিত করবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

বিজ্ঞাপন
শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন