বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসইসির চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘শেয়ারবাজারে ভালো কোম্পানির পাশাপাশি পণ্যবৈচিত্র্যও কম। তাই বাজারে ভালো কোম্পানির সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি পণ্যবৈচিত্র্য বাড়াতে কাজ করছে বর্তমান কমিশন। আমাদের জিডিপিতে শেয়ারবাজারের অংশ মাত্র ১৯ থেকে ২০ শতাংশ। কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশের শেয়ারবাজার সেসব দেশের জিডিপির প্রায় শতভাগ। সেই বিবেচনায় আমাদের বাজারের সম্ভাবনা বিপুল। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে মানবসম্পদ উন্নয়নের পাশাপাশি বাজারের স্বচ্ছতা বাড়াতে হবে।’

বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান এম খাইরুল হোসেন বলেন, ‘আমাদের শেয়ারবাজারে তথ্যের একধরনের অসমতা রয়েছে। এ কারণে তথ্যকে নানাজন নানাভাবে ব্যবহার করেন। শেয়ারবাজারে তথ্যের এ অসমতা দূর করতে সাংবাদিকেরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারেন। তাঁদের মাধ্যমেই বিনিয়োগকারীরা সঠিক ও যথাযথ খবর জানতে পারেন। তাই সাংবাদিকেরা যত বেশি দক্ষ হবেন, ততই শেয়ারবাজার ও সমাজের মঙ্গল।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আবু আহমেদ এ দেশের ব্যবসা পরিচালনাকারী বহুজাতিক কোম্পানির পাশাপাশি দেশের ভালো মানের কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ জন্য তিনি প্রয়োজনে বড় ধরনের কর ছাড়েরও অনুরোধ জানান।

সিএমজেএফ সভাপতি হাসান ইমামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএসইসির কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ ও মিজানুর রহমান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান ও পরিচালক শাকিল রিজভী, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি ছাইদুর রহমান, ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শরীফ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিএমজেএফের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পুঁজিবাজার বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে সিএমজেএফ। সংগঠনটি যাত্রা শুরুর এক যুগ পরে এসে স্থায়ী কার্যালয় বা নিজস্ব ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএসইসি চেয়ারম্যানসহ উপস্থিত অতিথিরা ফিতা ও কেক কেটে প্রায় ২ হাজার ৪০০ বর্গফুটের সিএমজেএফের কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন