বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এই অধ্যাপক বলেন, যেভাবে প্রতিদিন সূচক পড়ছে, এত পড়ার কোনো কারণ দেখি না। আসলে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নীতিগত বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। যার কারণে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিক্রির প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। এটা এই পতনের অন্যতম একটি কারণ।

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ান ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন পরিবর্তন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসির মধ্যে সম্প্রতি মতপার্থক্য দেখা দেয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বেসরকারি ব্যাংকটির আর্থিক প্রতিবেদন পরিবর্তনের নির্দেশ দিলে এর সরাসরি বিরোধিতা করে বিএসইসি। ওয়ান ব্যাংক বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন ও লভ্যাংশ বিতরণের পরে তাদের বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন পরিবর্তনের নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু বেসরকারি ব্যাংকটি বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে কোনো পরিবর্তন আনেনি। এ কারণে ওয়ান ব্যাংককে জরিমানা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অন্যদিকে সব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর বিএসইসি প্রকৃত আর্থিক তথ্য প্রকাশের নির্দেশ দেয়। এ রকম সিদ্ধান্ত শুরুতেই দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে দুই সংস্থার সম্পর্ক আর স্বাভাবিক হয়নি।

বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে করণীয় কী, জানতে চাইলে মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, যত দ্রুত সম্ভব এখনই দুই পক্ষকে আলোচনায় বসতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসি দুই পক্ষকে আলোচনা করে নীতিগত যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে, তার সুরাহা করতে হবে। তাহলে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো আবার কেনার দিকে ঝুঁকবে। বিএসইসির শীর্ষ কর্মকর্তারা দেশের বাইরে থাকলেও এখনই সমন্বয় করার দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। সময়ক্ষেপণ করা যাবে না। কারণ, শেয়ারবাজারের স্বার্থের সঙ্গে কিন্তু প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আর্থিক ও ব্যাংক খাতের শক্ত অবস্থান ও স্থিতিশীলতা জড়িত।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন