বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরিচালনা পর্ষদ প্রথমে অন্তর্বর্তীকালীন ১২৫ শতাংশ হারে (অর্থাৎ ১০ টাকার শেয়ারে ১২ দশমিক ৫০ টাকা প্রতি শেয়ার) এবং গত ডিসেম্বর শেষে আরও ১২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। সব মিলিয়ে কোম্পানিটি ২০২১ সালে শেয়ারধারীদের জন্য সর্বমোট ২৫০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। যা চূড়ান্তভাবে আজকের বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদন পায়।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের বোর্ড চেয়ারম্যান ইয়র্গেন সি অ্যারেন্টজ রোস্ট্রাপ বলেন, ‘প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য আমরা নেটওয়ার্ক ও তরঙ্গের ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছি। অত্যাধুনিক সক্ষমতাসম্পন্ন নেটওয়ার্ক অপারেটিং পার্টনার অন্তর্ভুক্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সচেষ্ট থেকেছি।’

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, ‘নেটওয়ার্ক ও অভিজ্ঞতার মান বৃদ্ধির ফলে ২০২১ সালে প্রবৃদ্ধির গতিশীলতাসহ গ্রামীণফোন ইতিবাচক অর্থনৈতিক ফলাফল অর্জনে সক্ষম হয়েছে। আগামী দিনে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে ডিজিটাল বাংলাদেশের কানেকটিভিটি অংশীদার হিসেবে কাজ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

গ্রামীণফোন সম্প্রতি তার পথচলার ২৫ বছর সম্পন্ন করেছে। কিছুদিন আগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কর্তৃক আয়োজিত ফাইভজির তরঙ্গ নিলামে অংশ নেয় তারা। ২ দশমিক ৬ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে সর্বোচ্চ বরাদ্দকৃত ৬০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনে নেয় তারা। আর ২৫ এপ্রিল গ্রামীণফোন ই-সিম নিয়ে এসেছে।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন