default-image

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নানা সিদ্ধান্তে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে শেয়ারবাজার। আজ বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেনের শুরুতেই দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের ব্যাপক উত্থান দেখা যায়। ৬ মিনিটের লেনদেনেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১২২ পয়েন্ট।

পরে সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ সূচকটি বাড়ে ১০৪ পয়েন্ট। এই আধা ঘণ্টায় লেনদেন হয়েছে ৪১৮ কোটি ৯১ লাখ কোটি টাকা। হাতবদল হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২২৪টির, কমেছে ৩৬টির, অপরিবর্তিত আছে ৫৫টির দর।

শেয়ারবাজারের মার্জিন ঋণের সুদহারও প্রথমবারের মতো বেঁধে দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। গতকাল বুধবার এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির তদন্তে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেটির বাস্তবায়ন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল বিএসইসির পক্ষ থেকে আলাদাভাবে এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের তদন্তসংক্রান্ত ১২ জানুয়ারির নির্দেশনাটির কার্যকারিতা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হলো। গত মঙ্গলবার যিনি এ তদন্তসংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছিলেন, গতকাল তিনিই কার্যকারিতা স্থগিতের নির্দেশনা দেন।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবারের নির্দেশনায় বিএসইসি বলেছিল, শেয়ারবাজারে যেসব কোম্পানির শেয়ারের দাম এক মাসে ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে বা কমেছে, তার পেছনে কোনো কারসাজি রয়েছে কি না, তা তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি কোনো কোম্পানির এক মাসের গড় লেনদেন আগের ছয় মাসের গড় লেনদেনের চেয়ে পাঁচ গুণের বেশি বাড়লে সেই কোম্পানির শেয়ার নিয়েও তদন্ত হবে। এ ঘোষণার পর শেয়ারবাজারে এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। গতকাল এক দিনেই ৯১ পয়েন্ট কমে ডিএসইএক্স। তার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল তদন্তের বিষয়টি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রথম আধা ঘণ্টার লেনদেনে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ২৩০ পয়েন্ট।

মন্তব্য করুন