default-image

গত আগস্টে যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক ২ দশমিক ১ শতাংশ সম্প্রসারিত হয়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হসপিটালিটি খাতকে সহযোগিতার উদ্দেশ্যে সরকারের নেওয়া ‘ইট আউট টু হেল্প আউট’ স্কিমটি বেশ ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে অর্থনীতিতে। রেস্তোরাঁগুলোর ব্যবসা ফিরেছে। আর তাতে ভর করে সম্প্রসারিত হয়েছে দেশটির অর্থনীতি। বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

অবশ্য এই বৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে। জুন এবং জুলাইয়ের চেয়ে গতিও কম। মহামারির আগের অবস্থানের চেয়ে অর্থনীতি এখনো ৯ দশমিক ২ শতাংশ সংকুচিত রয়েছে।

করোনাভাইরাসের কারণে নেওয়া লকডাউন পদক্ষেপের জন্য ব্যাপকভাবে সংকুচিত হয় যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি। গত চার মাস ধরে অর্থনীতি কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও এখনো ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি। জুনে, অর্থনীতি ৮ দশমিক ৭ শতাংশ এবং জুলাইয়ে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে আগস্টে সেই গতি কমে বৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ২ দশমিক ১ শতাংশ।  

বিজ্ঞাপন
আগস্ট পর্যন্ত ‘ইট আউট টু হেল্প আউট’ স্কিমটি বেশ ভালো প্রভাব ফেলেছে অর্থনীতিতে। অনেক রেস্তোরাঁ, ক্যাফে এতে প্রকৃত হয়েছে। এই স্কিমের আওতায় সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত ১০ পাউন্ডের বেশি দামে খাবার কিনলে গ্রাহকের জন্য ৫০ শতাংশ মূল্য ছাড়ের সুবিধা দেওয়া হয়।

নতুন করে কোভিড-১৯ বিধিনিষেধ আরোপের কারণে আগামী মাসগুলোতে অর্থনীতি আবার সংকুচিত হবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা। এ ছাড়া চুক্তিহীন ব্রেক্সিট এবং অক্টোবরে ফার্লো স্কিমের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর সংকট বাড়তে পারে।

তবে আগস্ট পর্যন্ত ‘ইট আউট টু হেল্প আউট’ স্কিমটি বেশ ভালো প্রভাব ফেলেছে অর্থনীতিতে। অনেক রেস্তোরাঁ, ক্যাফে এতে প্রকৃত হয়েছে। এই স্কিমের আওতায় সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত ১০ পাউন্ডের বেশি দামে খাবার কিনলে গ্রাহকের জন্য ৫০ শতাংশ মূল্য ছাড়ের সুবিধা দেওয়া হয়। এই স্কিমটি মানুষকে আকৃষ্ট করতে সফল হয়েছে। প্রায় ১০ কোটি অর্ডার হয়েছে এই স্কিমের আওতায়। আগস্টের ৩১ তারিখ শেষ হওয়া এই স্কিমের সময় বর্ধিত করার আহ্বান জানিয়েছেন অনেক ব্যবসায়ী।

বিশ্লেষকেরা বলছেন ভি শেপ পুনরুদ্ধার হচ্ছে না যুক্তরাজ্যের। ভি শেপ পুনরুদ্ধারের মানে হলো—অর্থনীতির দ্রুত পতন আবার দ্রুত উত্থান। করোনার কারণে যত দ্রুত সংকোচন হয়েছে অর্থনীতির, ততটা দ্রুত আবার সব সচল হচ্ছে না।

মন্তব্য পড়ুন 0