বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশ্লেষকেরা বলছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি, বন্ডের কম ইল্ড, দুর্বল ইউএস ডলার এবং মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য ও মুদ্রা সরবরাহ বাড়ানোর একটি পরিকল্পনা (কোয়ান্টেটিভ ইজিং প্রোগ্রাম) সোনার দামকে বাড়িয়েছে। পাশাপাশি কোভিডের সংক্রমণ বৃদ্ধি ও পরবর্তী তরঙ্গের ভয় কাজ করেছে এ দাম বাড়ার পেছনে। কোভিডের বর্তমান পরিস্থিতি প্রথম প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে কিছুটা অনিশ্চয়তা দিচ্ছে। পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদে সোনার দাম আরও বাড়তে পারে।

গত বছর বিশ্ববাজারে সোনা রেকর্ড দামে পৌঁছায়। দফায় দফায় দাম বেড়ে আগস্টের শুরুতে প্রতি আউন্স সোনার দাম রেকর্ড ২ হাজার ৭৪ ডলারে উঠে যায়। সূত্র: দ্য মিন্ট

এ দিকে গত ১০ মার্চ থেকে বাংলাদেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার অলংকারের দাম হয় ৬৯ হাজার ১০৯ টাকা। ২১ ক্যারেট ৬৫ হাজার ৯৬০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫৭ হাজার ২১২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার অলংকারের ভরি বিক্রি শুরু হয় ৪৬ হাজার ৮৮৯ টাকায়।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন