বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত মাসে মার্কিন কংগ্রেসনাল তদন্তে দেখা গেছে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালে হোটেলটির ব্যবসায়িক ক্ষতি হয়েছিল প্রায় সাত কোটি ডলার।
২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় হোটেলটি। হোটেল ভবনটি ৬০ বছরের জন্য ইজারা নিয়েছিল ট্রাম্প অর্গানাইজেশন। তবে ২০১৯ সাল থেকে এটি বিক্রির জন্য ক্রেতা খুঁজতে শুরু করে তারা। মিয়ামিভিত্তিক বিনিয়োগ সংস্থা সিজিআই মার্চেন্ট গ্রুপের সঙ্গে করা চুক্তি আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে চূড়ান্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

১২০ বছরের পুরোনো ভবনটি হোয়াইট হাউস থেকে এক মাইলেরও কম দূরে পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউতে অবস্থিত। এটি ছিল ঐতিহাসিক ওল্ড পোস্ট অফিস বিল্ডিং। ২০১২ সালে এটি পুনর্নির্মাণের অনুমোদন পায় ট্রাম্প অর্গানাইজেশন। এর চার বছর পর ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন গ্রহণ করার কয়েক সপ্তাহ পর এটি হোটেল হিসেবে খোলেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের প্রেসিডেন্টের মেয়াদকালে হোটেলটি শহরে আসা রিপাবলিকানদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তবে কিছুদিন ধরে হোটেলটি নিয়ে বেশ বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০১৮ সালে ধর্মীয় নেতারা হোটেলটির মদের লাইসেন্স প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাঁরা দাবি করেছিলেন যে এর মালিক ‘ভালো চরিত্রের ব্যক্তি নন’।
সম্প্রতি করা কংগ্রেসনাল তদন্তে দেখা গেছে যে ট্রাম্প হোটেলের মুনাফা ‘অতিরঞ্জিত’ করে দেখান। তিনি দেখান, তাঁর প্রেসিডেন্টের মেয়াদে হোটেলটি ১৫ কোটি ডলার লাভ করেছে। তবে তদন্তে দেখা যায়, লাভ নয় বরং সাত কোটি ডলার লোকসান গুনেছে হোটেলটি।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন