বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুই মাস আগেও ডেলটা ভেরিয়েন্টের সংক্রমণসহ নানা কারণে কর্মীদের কাজে ফিরে আসার প্রবণতা কমেছিল। ফলে অনেক শিল্পকারখানা কর্মীসংকটে পড়ে। কর্মীদের আকৃষ্ট করতে এবং ধরে রাখতে অনেকেই মজুরি বাড়ানো শুরু করেন।

শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে বেসরকারি খাতের গড় মজুরি ১১ সেন্ট বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ঘণ্টায় ৩০ দশমিক ৯৬ ডলার হয়েছে। তবে গত বছরের চেয়ে গড় আয় ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বাড়লেও তেমন কোনো লাভ হচ্ছে না মূল্যস্ফীতির জন্য। দেশটিতে মূল্যস্ফীতির হার এখন ৫ দশমিক ৪।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানান, যে কর্মসংস্থান পরিস্থিতি আশা করা হচ্ছিল তার চেয়েও ভালো অবস্থানে রয়েছে এখন। তিনি বলেন, ১৯৫০ সালের পর যেকোনো বছরের তুলনায় এ বছর বেকারত্ব কমেছে। অবসর ও আতিথেয়তা খাতে ১ লাখ ৬৪ হাজার চাকরি যোগ হয়েছে। ব্যবসায়িক পরিষেবা, উৎপাদনসহ বেসরকারি খাতে নিয়োগের পরিমাণ ভালো। তবে পরিস্থিতি এখনো করোনা–পূর্ববর্তী অবস্থায় যেতে পারেনি। দেশটিতে মহামারির আগের তুলনায় ৪০ লাখের বেশি কম কর্মসংস্থান রয়েছে। বর্তমানে ৭৪ লাখ মানুষ কর্মের বাইরে রয়েছেন।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন