দোকানে যাঁরা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে অর্থ প্রদান করবেন, সেই গ্রাহকদের অর্থ প্রদানের সঙ্গে সঙ্গে ই-মেইল দেওয়া হবে, সঙ্গে থাকবে একটি কিউআর কোড। এই কিউআর কোড ডিজিটাল ওয়ালেটের সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে।

গুচি বলেছে, উত্তর আমেরিকার যেসব বিক্রয়কেন্দ্র তারা সরাসরি পরিচালনা করে, অদূর ভবিষ্যতে তার সব কটিতে এই পদ্ধতি চালু করার চিন্তা করছে তারা।

তবে শুধু গুচি নয়, বিশ্বের অনেক স্বনামখ্যাত ব্র্যান্ড এখন ডিজিটাল মুদ্রা গ্রহণ করছে। এর মধ্যে আছে প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট, ইউএস টেলিকম ফার্ম, এটিঅ্যান্ডটি ও কফি চেইন স্টারবাকস। এবার তাদের সঙ্গে যুক্ত হলো গুসি।

এখনো বিশ্বের অধিকাংশ দেশে বৈধতা পায়নি বিটকয়েনসহ অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সি। তবে গত বছর বিশ্বের আরও দুটি দেশে আইনি বৈধতা পেয়েছে বিটকয়েন। সেই দুটি দেশ হলো এল সালভাদর ও দ্য সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক।

তবে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। তারা বলেছে, নির্বিচার ডিজিটাল মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির প্রয়োজন নেই, বরং তার লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।

‘ন্যাশনাল কাউন্সিল অব অ্যাপ্লায়েড ইকোনমিক রিসার্চ’ (এনসিএআইআর) আয়োজিত সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক গীতা গোপীনাথ বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা জারির পরিবর্তে বিশ্বজুড়ে ভার্চ্যুয়াল সম্পদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা মাথায় রেখে আন্তর্জাতিক নীতি প্রণয়ন করা উচিত।’ উন্নয়নশীল দেশগুলো ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আর্থিকভাবে উপকৃত হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

একই সঙ্গে অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডিজিটাল মুদ্রা বাজারে ছাড়ার যৌক্তিকতা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে। কিছু দেশ বেশ খানিকটা এগিয়েছে। সুইডেন আর চীন—একটা উন্নত অর্থব্যবস্থা, অন্যটি উদীয়মান অর্থব্যবস্থাগুলোর শীর্ষে—ডিজিটাল মুদ্রার পাইলট পরীক্ষা-নিরীক্ষা আরম্ভ করেছে। ২০২০ সালে বাহামাজের কেন্দ্রীয় ব্যাংক চালু করে দিয়েছে তাদের ডিজিটাল মুদ্রা স্যান্ড ডলার, যা পৃথিবীতে এই প্রথম। ভারতও ডিজিটাল রুপি প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন