দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচক কমেছে ১ দশমিক ৫২ শতাংশ। স্থানীয় সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপের তথ্য অনুযায়ী, আজ থেকে সিওলের ৪ স্তরের কঠোর সামাজিক দূরত্বের নিয়ম স্থাপন করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধান সূচকও কমেছে। এএসএক্স ২০০ সূচকটি কমেছে ১ দশমিক ২৯ শতাংশ। এটির ক্ষেত্রেও মূল প্রভাব করোনা। সিডনি কর্তৃপক্ষ এই সপ্তাহের শুরুতে ঘোষণা করে যে কোভিড-১৯ নিষেধাজ্ঞা আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হবে।

চীনের পুঁজিবাজারও ছিল আজ পতনের ধারায়। সাংহাই কম্পোজিট সূচক কমেছে শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ। শেনজেং কম্পোনেন্ট কমেছে ১ দশমিক শূন্য ২৯ শতাংশ। তবে বেড়েছে হংকংয়ের হ্যাংসেং সূচক। এই সূচকটি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৬৫ শতাংশ।

এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের জিনজিয়ানে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও হাইটেক নজরদারি করার অভিযোগে মার্কিন বাইডেন প্রশাসন তার অর্থনৈতিক কালো তালিকায় আরও বেশি চীনা সংস্থাগুলো যুক্ত করবে। এই সংবাদ আগামী দিনের লেনদেনে শেয়ারবাজারকে প্রভাবিত করবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

চীনের মূল্যস্ফীতি বেড়েছে

জুনে চীনের ভোক্তা মূল্যসূচক বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে জুনে এই মূল্যসূচক বেড়েছে ১ দশমিক ১ শতাংশ। আজ প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে এটি উঠে এসেছে। তবে এই বৃদ্ধি যা আশা করা হচ্ছিল তার কম। এর আগে রয়টার্সের জরিপে এটি ১ দশমিক ৩ শতাংশ হবে বলে মনে করা হচ্ছিল। চীনের উৎপাদন পর্যায়ের মূল্যস্ফীতি জুনে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৮ শতাংশ।