বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিদ্যুতের জন্য চীন কয়লার ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। চীনের কয়লা সরবরাহের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই আসে শানজি প্রদেশ থেকে। বন্যার কারণে এখানকার কয়েক ডজন খনি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। অবশ্য কিছু কিছু এখনো ধীরে ধীরে কার্যক্রম চালু রেখেছে। আজ স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বন্যায় কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৭ লাখের বেশি মানুষ। গত সপ্তাহে মুষলধারে বৃষ্টির ফলে উত্তর প্রদেশের ৭০টির বেশি জেলা ও শহরজুড়ে বাড়িঘর ভেঙে পড়ে এবং ভূমিধসের সৃষ্টি হয়।

বন্যার আগে থেকে চীনে বিদ্যুৎ–সংকট তৈরি হয়েছে। দেশটির একটি বড় অংশে বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বিদ্যুতের এই ঘাটতি প্রথমে শুরু হয়েছিল সারা দেশের কারখানাগুলোতে, যার ফলে সেখানে উৎপাদন ব্যাহত হয়। কিন্তু পরে বিভিন্ন শহরের বাসাবাড়িতে বিদ্যুতের সংকট দেখা দেয়। চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উৎপাদনকেন্দ্রগুলো বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জ্বালানি সংস্থাগুলো লাখ লাখ বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের সরবরাহ সীমিত করতে বাধ্য হয়েছে। গত শুক্রবার বেইজিং চীনের কয়লাখনিগুলোকে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোয় ও বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে কয়লা সরবরাহ বাড়ানো ছাড়া আর কোনো উপায় নেয় কর্তৃপক্ষের হাতে। তবে এর মধ্যেই আবার বন্যা কয়লা উৎপাদনকে ব্যাহত করছে। ফলে শিগগিরই সমস্যা চরমে উঠবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন