বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
টয়োটা জানিয়েছিল, তারা চলতি মাসে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ গাড়ি উৎপাদনের পরিকল্পনা করেছে। তবে লকডাউনের কারণে এখন সেই লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৫০ হাজারে নামিয়ে আনা হয়েছে।

গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, বর্তমানে গাড়িশিল্পে ব্যাপকভাবে সেমিকন্ডাক্টর–ঘাটতি দেখা দিয়েছে। যার কারণে উৎপাদন বন্ধ বা সীমিত করার পথে হাঁটতে হচ্ছে তাদের। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৬ থেকে ২১ মে পর্যন্ত জাপানের ৮টি কারখানার ১৪টি উৎপাদন লাইনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টয়োটা।

এর আগে টয়োটা জানিয়েছিল, তারা চলতি মাসে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ গাড়ি উৎপাদনের পরিকল্পনা করেছে। তবে লকডাউনের কারণে এখন সেই লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৫০ হাজারে নামিয়ে আনা হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার চিপের ঘাটতি ও চীনের বিভিন্ন শহরে লকডাউনের কারণে উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় টয়োটার ত্রৈমাসিক মুনাফা এক-তৃতীয়াংশ কমে গেছে। এ খবরে টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জে আজ বুধবার কোম্পানিটির শেয়ারের দাম প্রায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমে যায়।
চীনের সাংহাই প্রদেশে কঠোর লকডাউনের ষষ্ঠ সপ্তাহ চলছে। কঠোর এ লকডাউনে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া ক্রমে কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানায় টয়োটা। এ কারণে উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেসলা তার বৈদ্যুতিক যানবাহনের যন্ত্রাংশ সুরক্ষিত করতে সাংহাই প্ল্যান্টের বেশির ভাগ লাইনের উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। চায়না প্যাসেঞ্জার কার অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, চীনে টেসলার বিক্রি গত মাসের তুলনায় এপ্রিলে ৯৮ শতাংশ কমে গেছে। তবে গতকাল মঙ্গলবার ‘ফিউচার অব দ্য কার ২০২২’-শীর্ষক এক অনলাইন সম্মেলনে টেসলার প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক বলেন, আগামী সপ্তাহগুলোয় চীনের লকডাউনের ব্যবস্থা কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে না। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে বিবিসির পক্ষ থেকে টেসলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি টেসলা কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন