default-image

ইউরোপের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস চীনে আরেকটি কারখানা করবে। ইউরোপের বাইরে ২০০৯ সালে চীনের তিয়ানজিনে প্রথম কারখানা করে এয়ারবাস। দ্বিতীয় কারখানাও তিয়ানজিনেই হবে।
বিশ্বব্যাপী উড়োজাহাজ ব্যবসা বাড়াতেই তিয়ানজিনে এ নতুন কারখানা করা হবে বলে জানিয়েছে এয়ারবাস কর্তৃপক্ষ।
ইউরোপের চারটি দেশ ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও স্পেনের যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানি এয়ারবাস তুলনামূলক বড় পরিসরের উড়োজাহাজ তৈরির জন্য বিশেষভাবে খ্যাত।
তিয়ানজিনে স্থাপিত আগের কারখানার সঙ্গে নতুন কারখানা যুক্ত হবে। নতুনটিতে উড়োজাহাজের কেবিন তৈরি হবে। এ জন্য ১৬ কোটি ৬৩ লাখ মার্কিন ডলার খরচ করবে কোম্পানিটি।
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের উপস্থিতিতে ফ্রান্সে এয়ারবাসের সদর দপ্তরে গত বৃহস্পতিবার এ-বিষয়ক একটি চুক্তি সই হয়। এ সময় এয়ারবাসের কাছ থেকে ১ হাজার ১০০ কোটি ডলার মূল্যের এ৩৩০ মডেলের ৪৫টি নতুন উড়োজাহাজ কেনারও চুক্তি সই হয়।
এয়ারবাসের প্রেসিডেন্ট ফ্যাব্রিক ব্রেজার বলেন, ‘নতুন কারখানা স্থাপন ও এ৩৩০ সুপরিসর উড়োজাহাজ সরবরাহে চীনের সঙ্গে এ চুক্তি কৌশলগত অংশীদারির নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।’
এদিকে ভারতের মাহিন্দ্রা গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে একটি হেলিকপ্টার তৈরির কারখানা করার ঘোষণা দিয়েছে এয়ারবাস। এ কারখানা ভারতের সামরিক বাহিনীকে যৌথভাবে হেলিকপ্টার সরবরাহ করবে।
ভারতের বেঙ্গালুরুর নাসাপুরায় হেলিকপ্টার তৈরির এ কারখানা স্থাপিত হবে। তবে এ জন্য কোম্পানি দুটি কী পরিমাণ বিনিয়োগ করবে তা প্রকাশ করা হয়নি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভারতে বানাও’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এয়ারবাস ভারতে এ বিনিয়োগ করছে বলে জানা গেছে।
সূত্র: বিবিসি ও রয়টার্স

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0