বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সম্মেলনের প্রথম দিনের মূল বিষয় ছিল করোনা মোকাবিলা এবং করোনাকালে ক্ষতি হওয়া অর্থনীতি পুনরুদ্ধার। উদ্বোধনী বক্তব্যে সৌদি বাদশাহ সালমান বলেন, করোনা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিকভাবে সবাই এক হয়ে কাজ করার বিকল্প নেই। বিশ্বের সব দেশ যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে করোনা পরীক্ষার কিট এবং টিকা পায়, সে জন্য সবাইকেই সাহায্যের হাত বাড়ানোর আহ্বান জানান বাদশাহ সালমান।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ বলেন, করোনার টিকা বাজারে এলে তা যেন কেবল ধনী দেশগুলো না পায়, বিশ্বের সব দেশই যেন পায়, সে বিষয়ে নজর রাখতে হবে।

করোনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে, তা মোকাবিলায় কাজ করার বিষয়েও কথা বলেন জি-২০ নেতারা। এ সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, ‘টিকা যে দেশ তৈরি করবে, সেই দেশের মানুষই পাবে, তা যেন না হয়; সবার অধিকার আছে এতে। আমি বলতে পারি, রাশিয়ার তৈরি টিকা সব দেশে সহজলভ্য হবে।’

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও বিশ্বজুড়ে করোনার ভ্যাকসিন সহজলভ্য করার বিষয়ে সব নেতাকে আহ্বান জানান। একই আহ্বান জানান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। এ ছাড়া ভার্চ্যুয়াল সম্মেলনে যোগ দেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল, চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংসহ জি-২০ ভুক্ত ১৯টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতা।

default-image

পরে এক টুইটবার্তায় ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লেয়েন বলেন, ‘জি–২০ সম্মেলনের মাধ্যমে আমি ২০২০ সালের মধ্যে আইসিটি এক্সিলারেটরে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছি, সর্বত্র কোভিড-১৯ পরীক্ষা, চিকিৎসা, ভ্যাকসিন সংগ্রহ ও সরবরাহের জন্য যা ব্যয় করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বিশ্বব্যাপী সংহতি দেখাতে হবে।’ চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেল বলেন, জার্মানি এই প্রচেষ্টায় ৫৯ কোটি ৬২ লাখ ডলার দিয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার টিকা ‘স্পুটনিক–৫’ অন্যান্য দেশে সরবরাহ করার প্রস্তাব দেন। তিনি এও জানান, মস্কো দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভ্যাকসিনও প্রস্তুত করছে।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন