বিজ্ঞাপন

গত মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি হলো জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির হার। যদি মজুরি মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমান তালে না বাড়ে, তবে ক্রয়ক্ষমতা এবং জীবনযাত্রার মান হ্রাস পায়। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নেওয়া লকডাউন কর্মসূচি শিথিল হওয়ার পর থেকে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে।

বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা করছেন, ভোগ্য পণ্যের দাম খুব দ্রুত বাড়ছে, যার ফলে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়িয়ে দিতে পারে। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতি বাড়ায় মহামারির কারণে নেওয়া সহায়তা কর্মসূচি হয়তো যত দিন দেওয়া হবে বলে মনে করা হচ্ছিল, তত দিন নাও দেওয়া হতে পারে।

তবে অর্থনীতিবিদ এবং ফেডারেল রিজার্ভ বলছে, মুদ্রাস্ফীতির এই চাপ অস্থায়ী। শ্রম বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবহৃত গাড়ির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে সবচেয়ে বেশি। মহামারি প্রতিরোধে বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ায় ভোক্তার চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে দামে।

যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি যদি ২ শতাংশের মধ্যে রাখা যায়, তাহলে তা ভালো অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকেই নির্দেশ করে। ফেডারেল রিজার্ভ সে লক্ষ্যই নেয়। তবে সে লক্ষ্য ছাড়িয়ে যায় গত এপ্রিলেই। এপ্রিলে এটি আগের বছরের তুলনায় বেড়েছিল ৩ শতাংশ। অবশ্য ২০২০ সালের আগস্টে এক বৈঠকে ফেড ঘোষণা করেছিল যে সর্বাধিক কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পারলে মুদ্রাস্ফীতি ২ শতাংশের ওপরে যেতে পারে।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন