বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে ঘোসন জাপান থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় আর্থিক অসদাচরণের অভিযোগের সম্মুখীন হয়েছিলেন। এর আগে ২০১৮ সালে তিনি আর্থিক অসদাচরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। যদিও সে সময় ঘোসন তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।

ঘোসনের পক্ষে নিযুক্ত আইনি প্রতিষ্ঠান কিং অ্যান্ড স্প্যাল্ডিংয়ের আইনজীবী জিন তামালেট বিবিসিকে বলেছেন, প্যারিসের শহরতলি নান্তেরে প্রসিকিউটর অফিস থেকে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাটি একটি তদন্তের অংশ মাত্র, যা বেশ কিছুদিন ধরে চলছিল। ওই আইনজীবী আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, এটি একটি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা মাত্র। আইনের মাধ্যমেই আমরা ভবিষ্যতে আদালতেই এর সমাধান করতে পারব।’

জাপান থেকে পালানোর পর থেকে ঘোসন বারবার বলে আসছিলেন, জাপান তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ এনেছে। নিশান এবং রেনল্টের একীভূতকরণ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের নানা অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে দাবি ঘোসনের।

ফ্রান্সে ঘোসনের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরে সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তদন্ত চলছিল গোপনে। তারই অংশ হিসেবে একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা বৈরুতে ঘোসনকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন।

এদিকে ঘোসনের লেবানন ত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কারণ, যেকোনো সময় তাঁকে জাপানের কাছে হস্তান্তরের অনুরোধ আসতে পারে। যদিও ঘোসন মনে করেন, জাপানের এই ধরনের অনুরোধ মঞ্জুর হওয়ার সম্ভাবনা কম। তারপরও এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, বর্তমানে তিনি আইনি জটিলতার মধ্যে রয়েছেন।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন