বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করাচির চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (কেসিসিআই) সাবেক প্রেসিডেন্ট, বিজনেসম্যান গ্রুপের চেয়ারপারসন এম জুবাইর মতিওয়ালা বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ব্যবসা ও শিল্প খাত বিচলিত। রুপির মূল্য হ্রাস, রিজার্ভ কমে যাওয়া, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ রাজস্ব ঘাটতির কারণে দেশটির অর্থনীতি ইতিমধ্যে ভঙ্গুর।
এ অবস্থায় অর্থনীতি বাঁচাতে দ্রুত রাজনীতির এই সংকট সমাধানের কথা বলেন মতিওয়ালা।

মতিওয়ালা বলেন, কেসিসিআই সব সময় সরকারের কাছে সিওই চালু ও কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত এই দাবি কখনো বিবেচনায় আনা হয়নি।
ব্যবসায়ী সম্প্রদায় সুপ্রিম কোর্টের মঙ্গলবারের রায়ের দিকে তাকিয়ে আছে জানিয়ে কেসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, বাণিজ্য ও অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে এই সংকট যত দ্রুত সম্ভব মোকাবিলা করতে হবে।
রুপির ওপর অতিরিক্ত চাপ, শেয়ারবাজারের পতন ও বিদেশি ক্রেতাদের নেতিবাচক মনোভাব দেশটির অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

ফেডারেশন অব পাকিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ইফরান ইকবাল শেখ এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। দ্য ডনকে তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত বিদেশি ও স্থানীয় কোনো বিনিয়োগ করা যাবে না। এ মুহূর্তে শেয়ারবাজারে পতন হয়েছে এবং ডলারের বিনিময়ের হার ১৮৫ রুপি ছাড়িয়েছে। দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে সুপ্রিম কোর্টকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও জানান তিনি।
পাকিস্তান রেডিমেড গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান সংগঠক ইজাজ খোকার বলেন, এ পরিস্থিতি আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিচ্ছে এবং ইতিমধ্যে এর চাপ অনুভূত হচ্ছে। সরকারকে মাথায় রাখতে হবে, আগামী বছরের মধ্যেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে জিএসপি প্লাস চুক্তি শেষ হতে যাচ্ছে।

সরকারের সমর্থন ও উপযুক্ত নীতির কারণে গত তিন বছর পাকিস্তানের টেক্সটাইলশিল্পের অনুকূল সময় ছিল জানিয়ে দেশটির টেক্সটাইল এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক আজিজ গহীর বলেন, করোনা মহামারির বিধিনিষেধ সত্ত্বেও টেক্সটাইল খাতে রপ্তানির অবিশ্বাস্য উত্থান হয়।
কিন্তু বিশ্লেষকদের শঙ্কা, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দূর না হলে অর্থনীতির অনিশ্চয়তা কাটবে না।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন