বিজ্ঞাপন

অর্থনীতিবিদেরা আশা করেছিলেন এই প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হবে ৮ দশমিক ১ শতাংশ। একটি দেশের অর্থনীতি কেমন আছে, তা পরিমাপের অন্যতম পরিমাপক জিডিপি। এটি একটি দেশের সব প্রতিষ্ঠান, সরকার, ব্যক্তিগত ক্রিয়াকলাপ পরিমাপ করে।
তবে সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুনে খুচরা বিক্রয় এবং শিল্প উৎপাদন প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হয়েছে।

জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো বলছে, উৎপাদন ও চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চীনের অর্থনীতি স্থিতিশীল পুনরুদ্ধার বজায় রেখেছে। তবে মহামারির সময়ে বিশ্বব্যাপী অস্থিতিশীলতা এবং অনিশ্চয়তা ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হতে থাকে।
অর্থনীতিবিদেরা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির পুনরুদ্ধার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আয়রন, আকরিক ও তামা জাতীয় পণ্য রেকর্ড উচ্চ দাম এক দশকের বেশি সময় পর উৎপাদন ক্ষেত্রে মুদ্রাস্ফীতিকে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে গেছে। জ্বালানির ঘাটতির কারণে কারখানার উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দেশটির সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।

এপ্রিলে প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চীনের অর্থনীতি গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় ২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকে রেকর্ড ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। ১৯৯২ সালে চীন ত্রৈমাসিক রেকর্ড রাখা শুরু করার পর থেকে এটি ছিল জিডিপির সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি। তবে রয়টার্সের জরিপে ওই সময় প্রবৃদ্ধি ১৯ শতাংশ হবে বলে আশা করা হয়েছিল।‍

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন