বিজ্ঞাপন

পাশাপাশি উদ্বেগের বিষয়গুলো উত্থাপন করেছেন। এ ছাড়া তাঁরা তাঁদের আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

অন্যদিকে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে যে ক্যাথরিন টাই এবং লু হি সাম্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার মনোভাব নিয়ে স্পষ্ট, বাস্তববাদী ও গঠনমূলক আলোচনা করেছেন। এ ছাড়া উভয় পক্ষ থেকেই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বিকাশকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরা হয়।

এ আলোচনার আগে ক্যাথরিন টাই বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক বক্তব্যে বলেন, চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এখনো ‘অনেক বড় চ্যালেঞ্জ’ মোকাবিলা করছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়ে তিক্ত বাণিজ্যযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ। পরে গত বছরের জানুয়ারিতে বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতি একটি চুক্তি করে। সেই চুক্তিতে বেইজিং ২০২০ ও ২০২১ সালে কমপক্ষে ২০০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্য ও পরিষেবা ক্রয় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেয়।

ক্যাথরিন টাই আরও বলেন, এই চুক্তির শর্তগুলো বেইজিং পূরণ করেছে কি না, তা তিনি পর্যবেক্ষণ করছেন।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, চীন মার্কিন পণ্য কেনার যে চুক্তি করেছিল, তার ৪০ শতাংশই পূরণ করেনি। তবে এখন পর্যন্ত বাইডেন প্রশাসন তার উত্তরসূরির দেখানো পথে চলেননি।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন