বিজ্ঞাপন
default-image

এদিকে গত শনিবার থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের শুভকামনায় সিক্ত হয়েছেন জো বাইডেন। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

নিউইয়র্কভিত্তিক বহুজাতিক আর্থিক বিনিয়োগ ব্যাংক ও অর্থবিষয়ক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান জেপি মরগ্যানের প্রধান নির্বাহী জেমি ডিমন এক টুইটে বলেন, ‘এখন আমাদের ঐক্যের সময়। আমাদের অবশ্যই মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফলকে সম্মান করতে হবে। প্রতিটি নির্বাচনের মতোই ভোটারদের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাতে হবে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার উত্তরণকে সমর্থন করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তখনই শক্তিশালী দেশ, যখন আমরা একে অপরের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণ করি। একটি সাধারণ লক্ষ নিয়ে প্রতিশ্রুতি ভাগ করে নিই। আমাদের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হই। আমাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ যা-ই হোক না কেন, দেশ গড়ার ক্ষেত্রে সবাই এক। এটাই অন্য দেশ থেকে মার্কিনদের আলাদা করেছে।’

default-image

বিবৃতি দিয়েছেন ফেসবুকের প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা শেরিল স্যান্ডবার্গ। তিনি বলেন, সরকার গঠনের জন্য এমন একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, তা এটায় প্রতিফলিত করে কতটা বৈচিত্র্যময় এ দেশ। ওই ফেসবুক পোস্টে শেরিল ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকেও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘কমলা হ্যারিসকে এই অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য অভিনন্দন। নেতৃত্বের কাচের সিলিং ভেঙে দেওয়ার জন্য অভিনন্দন। ঐতিহাসিক এই মাইলফলক সৃষ্টির জন্য প্রেসিডেন্ট বাইডেনকেও অভিনন্দন।’

default-image

যুক্তরাষ্ট্রের করপোরেট জগৎ শুরু থেকেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনকেই সমর্থন দিয়ে আসছিল। গত সেপ্টেম্বরের শেষে ইয়েল স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের ওপর একটি জরিপ চালায়। এতে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের ৭৭ শতাংশই বাইডেনকে ভোট দিতে চান এবং ৬০ শতাংশ পূর্বাভাস দেন বাইডেনই জিতবেন।

শিল্প গ্রুপের নেতারাও নবনির্বাচিত প্রশাসনের কাছে তাঁদের সমর্থনের কথা পাঠাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রব নিকোলস বলেছেন, অ্যাসোসিয়েশনের সব সদস্য অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে, সুযোগ বাড়ানোর জন্য এবং সমস্ত মার্কিন নাগরিকের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য বাইডেন প্রশাসন ও আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছেন। দেশটির ব্যাংকগুলো তাদের ব্যবসা এবং গ্রাহকদের সহায়তা করার জন্য কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা জানি, পুনরুদ্ধারের উৎসাহ দেওয়ার জন্য আরও কিছু করা উচিত।’

ইউএস চেম্বার অব কমার্সের প্রধান নির্বাহী থমাস জে ডোনহু বলেছেন, শিল্পগোষ্ঠী জনস্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করতে, অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং মার্কিন নাগরিকদের জীবন ও সম্প্রদায়ের পুনর্গঠনে সহায়তা করতে বাইডেন প্রশাসন ও নেতাদের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছে।

এক বিবৃতিতে ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ম্যানুফ্যাকচারার সভাপতি এবং সিইও জে টিমন্স বলেছেন, ‘মার্কিন জনগণ কোনো পক্ষেরই কঠোর নীতিতে আগ্রহী নয়। তারা স্মার্ট, স্থিতিশীল এবং সমাধানভিত্তিক প্রশাসন চায়।’

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন