default-image

জাপান, চীন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোর জোট আসিয়ানের ১০টি সদস্যদেশসহ ১৫টি দেশ গড়ে তুলেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অঞ্চলভিত্তিক মুক্ত বাণিজ্য জোট। আজ রোববার অনলাইনে নেতাদের এক শীর্ষ সম্মেলনে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এই জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

আট বছরের আলোচনা শেষে রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি) বা ‘আঞ্চলিক সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারি’ শীর্ষক এই বাণিজ্য চুক্তি সই হলো।

জোটের নেতারা শুল্ক হ্রাস এবং ই-কমার্স ও মেধাস্বত্ব বিষয়ে সাধারণ নিয়মাবলি ঠিক করে নিতে সম্মত হয়েছেন।

আরসিইপিতে অন্তর্ভুক্ত অন্য দেশগুলো হলো দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ভারত শুরু থেকে আরসিইপি আলোচনায় যুক্ত থাকলেও চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বৈষম্য আরও সম্প্রসারিত হতে পারে—এই আশঙ্কায় শেষ দিকে আলোচনা থেকে সরে যায়।

বিজ্ঞাপন

চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো অবশ্য চুক্তির শর্তাবলিতে ভারতের ফিরে আসার একটি ধারা সংযুক্ত রেখেছে। নতুন অর্থনৈতিক জোটের দেশগুলো দৃশ্যত ভারতকে অন্তর্ভুক্ত করে এর পরিধি আরও সম্প্রসারিত করার আশা এখনো ছেড়ে দেয়নি।

অনলাইন শীর্ষ বৈঠকের পর প্রচারিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি হিসেবে আরসিইপি বিশ্বাস করে যে চুক্তিটি হচ্ছে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগসংক্রান্ত নিয়মাবলির আদর্শ একটি কাঠামো ঠিক করে নেওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

চুক্তি স্বাক্ষরকারী ১৫টি দেশ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশের প্রতিনিধিত্ব করছে। একই সঙ্গে এটা হচ্ছে চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার অন্তর্ভুক্ত থাকা প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। পূর্ব এশিয়ার তিন প্রতিবেশী দেশ ভিন্ন একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরে আলোচনা চালিয়ে গেলেও এখনো তা চূড়ান্ত করতে পারেনি।

মন্তব্য পড়ুন 0