বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ তৃতীয়

সরকারি তথ্য-উপাত্ত বলছে, করোনার মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি তুলনামূলক ভালো করেছে। আইএমএফের পূর্বাভাস হলো, চলতি বছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ। সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হবে মালদ্বীপে—১৮ দশমিক ৯ শতাংশ, এরপর ভারতে সাড়ে ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে। এ ছাড়া পাকিস্তান ৩ দশমিক ৯ শতাংশ, শ্রীলঙ্কা ৩ দশমিক ৬ শতাংশ, নেপালে ১ দশমিক ৮ এবং ভুটানে মাইনাস ১ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। তবে আফগানিস্তানের জন্য কোনো পূর্বাভাস দেয়নি আইএমএফ।

বাংলাদেশ সম্পর্কে আইএমএফের পূর্বাভাস অবাস্তব মনে করেন না জাহিদ হোসেন। তাঁর মতে, এ বছরের মাঝামাঝি সময়ে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল, যাতে ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি কমিয়ে দেয়।

বড় বড় উন্নয়ন সহযোগীরাও এবার বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে। ৭ অক্টোবর বিশ্বব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছে, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৪ শতাংশ হবে। বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বলেছে, চলতি অর্থবছরে ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে।

বড়দের ঘুরে দাঁড়ানোর বছর

করোনার কারণে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, জাপানের মতো দেশে ২০২০ সালে জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক ছিল। চলতি বছরে এ নেতিবাচক ধারা কাটিয়ে এসব দেশে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। আইএমএফের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে জিডিপি সংকুচিত হয়েছিল ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ হতে পারে। গতবার যুক্তরাজ্য ও জার্মানির প্রবৃদ্ধিও নেতিবাচক ছিল। এবার যুক্তরাজ্যের ৬ দশমিক ৮ শতাংশ এবং জার্মানির ৩ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে।

অন্যদিকে করোনার উৎসস্থল চীনের প্রবৃদ্ধিতে বড় ধরনের উল্লম্ফন হবে বলে মনে করছে আইএমএফ। দেশটির প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। আর এশিয়ার আরেক শক্তিশালী অর্থনীতি জাপানের প্রবৃদ্ধিও বেড়ে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন