ফেসবুক-টুইটারে ‘বিরক্ত’ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই নতুন সামাজিক মাধ্যম খোলার কথা বলেছিলেন বেশ আগে। গত জানুয়ারিতে ইউএস ক্যাপিটলে হামলার পর টুইটার এবং ফেসবুক থেকে নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন। আর এখন বড় বিনিয়োগ সংগ্রহের মধ্য দিয়ে সেই উদ্যোগ আরও গতি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্রাম্পের কোম্পানির তথ্যমতে, নিষিদ্ধ হওয়ার আগে তাঁর টুইটারে ৮ কোটি ৯০ লাখ, ফেসবুকে ৩ কোটি ৩০ লাখ এবং ইনস্টাগ্রামে ২ কোটি ৪৫ লাখ অনুসারী ছিল।

এদিকে, শত কোটি ডলারের বিনিয়োগ পাওয়ার পর নতুন করে মুখ খুলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তিনি বলেছেন, এই অর্থ বড় টেক কোম্পানিগুলোকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে। আর তা হলো, সেন্সরশিপ এবং রাজনৈতিক বৈষম্যের অবসান হওয়া উচিত। নতুন সোশ্যাল মিডিয়া উদ্যোগ নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি “রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে বৈষম্য ছাড়াই” কথোপকথনের অনুমতি দেবে। নতুন এই বিনিয়োগের ফলে আমাদের আর্থিক বিবরণী বা ব্যালেন্স শিট বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্প মিডিয়া ও প্রযুক্তি গ্রুপ “বিগ টেকের” অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে।

২০২৪ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আবার অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। নতুন এই অ্যাপসের মাধ্যমে সমর্থকদের উজ্জীবিত করার পাশাপাশি বিরোধী শিবিরেও কড়া বার্তা দিতে চান সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট।