বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চলতি অর্থবছরে ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসও ৯ দশমিক ৫ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখল তারা। তারা বলছে, মহামারির পরে জাতীয় অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে ঠিকই, কিন্তু তা এখনো যথেষ্ট গতি পায়নি। বিশ্ব অর্থনীতির বিভিন্ন বিরূপ ঘটনার প্রভাব থেকে বের হয়ে আসার শক্তি এখনো সঞ্চয় করতে পারেনি ভারতীয় অর্থনীতি। ফলে ঝুঁকি কিছুটা থেকেই যাচ্ছে। আর করোনার অমিক্রন ধরনকে কারণ হিসেবে দেখিয়ে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস সরাসরি ছাঁটাই করেছে ফিচ রেটিংস।

ভারতের রেপো রেট (যে সুদে স্বল্প মেয়াদে বাণিজ্যিক ব্যাংককে রিজার্ভ ব্যাংক ঋণ দেয়) ও রিভার্স রেপো রেট (যে সুদে বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে শীর্ষ ব্যাংক স্বল্প মেয়াদে ঋণ নেয়) এই মুহূর্তে ঐতিহাসিকভাবে কম। তবে বাজার থেকে অতিরিক্ত নগদের একাংশ তুলে নিতে কিছু কৌশল নিয়েছে আরবিআই। বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, মূল্যস্ফীতি এভাবে বাড়তি থাকলে আগামী বছর সুদের হার বৃদ্ধি কার্যত অবশ্যম্ভাবী।

বুধবার ঋণনীতি ঘোষণার পর রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেন, করোনার পরে অর্থনীতির উন্নতি হচ্ছে, বাড়ছে চাহিদা ও বিক্রি। তবে তাঁর বক্তব্য, আর্থিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনীতিতে কিছুটা শিথিলতাও থেকে গেছে। মানুষের কেনাকাটা এখনো করোনার আগের অবস্থায় পৌঁছাতে পারেনি। সে জন্য এখনো নীতিসহায়তা প্রয়োজন।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন