বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনার কারণে লকডাউন বা বিধিনিষেধ শুরুর প্রথম তিন মাসে শ্রমিক-কর্মীদের বেতন কমেছে ১৬ শতাংশ। ৩ শতাংশ কর্মী কোনো বেতনই পাননি, অর্থাৎ তাঁরা এক টাকাও পাননি। বিনিয়োগ তথ্য ও ক্রেডিট রেটিং বা ঋণমান নির্ণয়কারী প্রতিষ্ঠান ইকরার মুখ্য অর্থনীতিবিদ অদিতি নায়ার বলেন, সার্বিক অনিশ্চয়তার কারণে ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জরিপের সময়) পণ্য বিক্রি যেমন কমেছে, তেমনি কর্মসংস্থান ও কর্মীদের বেতনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আলোচ্য সময়ে ভারতে জনগণের ভোগ ব্যয় কমেছে ২৬ শতাংশ।

তবে প্রথম লকডাউন বা বিধিনিষেধকালে অবশ্য স্বাস্থ্য ও আর্থিক খাতের ৯০ শতাংশের বেশি কর্মী পূর্ণ বেতন পেয়েছেন। তবে কনস্ট্রাকশন বা নির্মাণ খাতের ২৭ শতাংশ শ্রমিককে নির্ধারিত মজুরির চেয়ে কম অর্থ নিতে হয়েছে। আর কোনো মজুরিই পাননি, এমন শ্রমিক ৭ শতাংশ। বিধিনিষেধের প্রথম তিন মাসে সারা ভারতে সবচেয়ে বেশি খোলা ছিল স্বাস্থ্য খাতের প্রতিষ্ঠান, যা শতকরা হিসাবে ৮৮ দশমিক ৯ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭১ দশমিক ৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠান খোলা ছিল আর্থিক সেবা খাতের।

সবচেয়ে বেশি বন্ধ ছিল শিক্ষা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো। এ খাতের ৭৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠান তখন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর পরেই ছিল রেস্তোরাঁ খাত। এ খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে তখন তালা ঝুলছিল। আর বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ৭১ দশমিক ৫ শতাংশ বন্ধ ছিল তখন, যা শতকরা হিসাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ।

জরিপমতে, ভারতে বিধিনিষেধের প্রথম তিন মাসে আর্থিক ও শিক্ষা খাতের ৮৪ দশমিক ৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে কোনো কর্মী ছাঁটাই হয়নি। করোনার প্রথম দিকে দেশটিতে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে উৎপাদন, নির্মাণ, হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতে। তখন উৎপাদন খাতের ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ, নির্মাণ খাতের ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশ এবং হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতের ৩৪ দশমিক ৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাঁটাই করে। সূত্র: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন