বিজ্ঞাপন

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে নেওয়া লকডাউন পদক্ষেপের কারণে সারা বিশ্বের বিমান চলাচল শিল্প মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। গতি বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মরিয়া হয়ে উপায় খুঁজছেন। এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাকশন গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, মহামারিটির আগে এই শিল্প বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রতিবছর ৩৫ লাখ ডলার অবদান রাখছিল। তবে করোনার কারণে সব ওলট–পালট হয়ে যায়। দেশে দেশে ফ্লাইট বাতিল হয়। বসিয়ে রাখা হয় বহরকে বহর বিমান। অন্য সব বিমানবন্দরের মতো দুবাই বিমানবন্দরও ক্ষতির মুখে পড়ে। অবশ্য এর মধ্যেও ২০২০ সালে টানা সাতবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম বিমানবন্দর হয়েছে দুবাই। ২০১৪ সালে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরকে পেছনে ফেলে এটি।

২০১৯ সালে রেকর্ড ৮ কোটি ৬৩ লাখ মানুষ দুবাই বিমানবন্দর ব্যবহার করে। তবে করোনার কারণে ২০২০ সালে যা কমে ৭০ শতাংশ। গ্রিফিথস চাইছেন পরিস্থিতি আবার আগের মতো হোক। তিনি বলেন, ‘আমাদের ঝুঁকি এড়ানোর চেয়ে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি শুধু মনে করি না যে বিশ্ব যোগাযোগ ছাড়া দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারবে। একসঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে ও সামাজিক গতিশীলতা ছাড়া। তবে আমরা বুঝতে পারছি কেন সারা বিশ্ব এত রক্ষণশীল হয়ে উঠেছে।’

গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতের অর্থনীতি ৬ দশমিক ১ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন