বিজ্ঞাপন

তবে বছরের প্রথম প্রান্তিকে ওয়ালমার্টের মুনাফা কমেছে প্রায় ৩২ শতাংশ। এই সময়ে তাদের মুনাফা হয়েছে ২৭০ কোটি ডলার। যুক্তরাজ্য, জাপান ও আর্জেন্টিনায় ব্যবসা খারাপ হওয়ার কারণে মুনাফা কমেছে তাদের।

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় অনলাইন বিক্রিও কমতে শুরু করেছে। এপ্রিল মাসে অনলাইন বিক্রির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৭ শতাংশ। অথচ গত বছরের এপ্রিলে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭৪ শতাংশ। তখন অবশ্য লকডাউন চলছিল। মানুষ ঘর থেকে বেরোতে পারত না। তাই হঠাৎ অনলাইন বিক্রির পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল।

ওয়ালমার্ট আরও জানিয়েছে, এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেতাদের আগমন হঠাৎই বেড়ে গেছে। গত এক বছরে এমনটা দেখা যায়নি। এর অর্থ হচ্ছে, দুই ডোজ টিকাপ্রাপ্ত মানুষেরা এখন অনেকটা স্বাধীনভাবে ঘোরাফেরা শুরু করেছেন। দেশটির সিডিসি বা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বিভাগ সম্প্রতি মাস্ক ব্যবহার নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। তারা বলেছে, দুই ডোজ টিকাপ্রাপ্ত মানুষেরা এখন মাস্ক ছাড়াই রাস্তায় হাঁটতে পারবেন, যদি ভিড় না থাকে। তবে ভিড়ের মধ্যে গেলে মাস্ক পরে যেতে হবে।

অনলাইন বিক্রি বৃদ্ধিতে ওয়ালমার্ট এখনো অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে যাচ্ছে। এক দিনে সরবরাহসহ পোশাকের ভার্চ্যুয়াল ট্রায়ালের ব্যবস্থাও করেছে তারা। লক্ষ্য, আমাজনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন