default-image

যুক্তরাষ্ট্রে অনলাইনে করোনাভাইরাসের জাল টিকা কার্ড ও টিকা বিক্রি হচ্ছে—এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে। ডার্ক ওয়েব বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে অসাধু ব্যবসায়ীরা এই ব্যবসা চালাচ্ছেন। সম্প্রতি মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইন্টারনেটের ডার্ক ওয়েবে ২০০ ডলারের বিনিময় বিক্রি হচ্ছে টিকা কার্ড। আর যেকোনো কোম্পানির টিকা পাওয়া যাচ্ছে প্রতি ডোজ হাজার ডলারে। সাইবার সিকিউরিটি ফার্ম চেক পয়েন্ট সফটওয়্যারের নিরাপত্তা গবেষকেরা বলছেন, অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও জনসন অ্যান্ড জনসনের মতো বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কোভিড-১৯ টিকার এক ডোজ এক হাজার ডলারে বিক্রি হচ্ছে—এমনটা খুঁজে পেয়েছেন তারা। সেই সঙ্গে কমপক্ষে ২০টি ভুয়া টিকা কার্ড বিক্রি প্রমাণ পেয়েছেন তাঁরা, যার প্রতিটি বিক্রি হয়েছে ২০০ ডলারে।

করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণের পর টিকা কার্ড দেওয়া হয়। এই কার্ড প্রমাণ করে যে ওই ব্যক্তি টিকা গ্রহণ করেছেন। বলা হচ্ছে, এই টিকার কার্ড আগামী দিনের চলাচলের ছাড়পত্র হবে। করোনার মহামারির এই সময়ে বিদেশ যাওয়া, প্লেনে ওঠার, নতুন কাজে যোগ দেওয়ার অনুমতি নিতে টিকা কার্ড দেখানোর প্রয়োজন হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে অনেকেই টিকা গ্রহণ করছেন না, কিন্তু কার্ড ছাড়া পরবর্তী সময়ে অসুবিধা হতে পারে—এ কথা ভেবেই অসাধু পথ অবলম্বন করছেন।

বিজ্ঞাপন

চেকপয়েন্ট সফটওয়্যারের জানায়, গত তিন মাসে ডার্ক ওয়েবে করোনার টিকা বিক্রিসংক্রান্ত বিজ্ঞাপন ৩০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে টিকা আসল না নকল, এই বিষয়ে তাঁরা কোনো নিশ্চিত ধারণা পাননি। ছাড়পত্রসহ টিকার যে ছবি দেওয়া হয়, তা আসল ও বৈধ টিকার মতোই দেখায়। এ ছাড়া মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা দ্য সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের লোগোসংবলিত ভুয়া টিকা কার্ডগুলো দেখতেও আসল কার্ডের মতোই। শুধু টিকা কার্ড নয়, ২৫ ডলার খরচ করলে এখানে পাওয়া যাচ্ছে ‘করোনা নেগেটিভ’ রিপোর্ট কার্ডও। এমনকি দুটি কার্ড কিনলে তৃতীয়টি ফ্রি—এমন অফারও দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন