default-image

নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হলো দক্ষিণ কোরিয়ার ই-কমার্স জায়ান্ট কোপাং। গতকাল বৃহস্পতিবার তালিকাভুক্তির প্রথম দিনই তরতর করে উঠে গেছে কোপাংয়ের শেয়ারের দর। সেই সঙ্গে এর প্রতিষ্ঠাতা বোম কিমের ভাগ্যও ফুলেফেঁপে উঠেছে।

হার্ভার্ড থেকে ঝরে পড়া এই মাল্টি বিলিয়নিয়ারের কোম্পানির শেয়ারের দর এক দিনেই বেড়েছে ৮৬০ কোটি ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৭২ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। ঢুকে পড়েছেন মেগা বিলিয়নিয়ার ক্লাবে।

এর আগে এত বড় এশিয়ান কোম্পানি বলতে কেবল আলিবাবা যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সেটা ২০১৪ সালে। গতকাল প্রথম দিনেই কোপাংয়ের শেয়ারের দর বেড়েছে ৪১ শতাংশ। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) নিয়ে এসেছিল কোপাং। মার্কিন ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনের সঙ্গে তুলনা করা হয় কোপাংকে। কোপাংকে দক্ষিণ কোরিয়ার আমাজন বলা হয়।
এই অনলাইন খুচরা বিক্রেতার অন্যতম সহযোগী হলো জাপানের মাল্টিন্যাশনাল সফটব্যাংক। যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে ব্যাপক এই উত্থানের বিষয়ে বোম কিম বলেন, তিনি তাঁর গুদামের কর্মচারী ও পূর্ণকালীন কর্মীদের এই লাভের ৯ কোটি ডলার অনুদান দেবেন। বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে।

বিজ্ঞাপন

কোপাংয়ের প্রধান নির্বাহী হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন বোম কিম। দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে জন্ম নেওয়া বোম কিম ছোট থাকতেই যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। সেখানে তিনি স্কুলজীবন শেষ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নেন। এমবিএ পড়ার সময় হার্ভার্ড ছাড়তে বাধ্য হন বোম কিম। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় ফিরে আসেন এবং ২০১০ সালে কোপাং প্রতিষ্ঠা করেন। গ্রুপন’স বিজনেস মডেলই তাঁকে এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করতে উৎসাহিত করে।

শুরু থেকেই কোম্পানিটি খুবই আগ্রাসীভাবে ব্যবসা করে। খুব দ্রুতই ব্যাপক প্রসার লাভ করে। নতুন নতুন বিনিয়োগে ব্যাপক আগ্রাসী কোপাং। অবশ্য বিতর্কও রয়েছে বোম কিমের এই কোম্পানি ঘিরে। ডেলিভারি ও লজিস্টিক কর্মচারীদের দিয়ে অতিরিক্ত কাজ করানোর ফলে বেশ কয়েকজন মারা গেছেন—কোপাংয়ের বিরুদ্ধে এমন খবর প্রকাশের পর কোম্পানিটি তদন্তের মুখোমুখি হয়।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন