default-image

সুপারহিরো সিনেমা সারা বিশ্বেই বেশ জনপ্রিয়। সুপারহিরোর মধ্যে একটু অন্য রকম ধরা হয় ব্যাটম্যান আর আয়রনম্যানকে। কারণ এই দুই সুপারহিরোর অন্যদের মতো কোনো অতিমানবীয় ক্ষমতা বা সুপারপাওয়ার নেই। তার বদলে তাঁরা বুদ্ধি, শারীরিক শক্তি, মার্শাল আর্টের দক্ষতা, অনুসন্ধানী ক্ষমতা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বিপুল ধন, অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও অপরাধ জগতে তার প্রচলিত ভীতি কাজে লাগিয়ে লড়াই করেন। জনপ্রিয়তার দৌড়ে আসলে এই দুই সুপারহিরোর কারা এগিয়ে তা বলা কঠিন। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই দুই সুপারহিরোর বিপুল ধনসম্পদের উৎস হলো উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া অর্থ।

যুক্তরাজ্যের ভানকুইস ব্যাংক সম্প্রতি মার্ভেল কমিকসের এই সুপারহিরোদের বার্ষিক আয় নিয়ে মজার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ব্যাংকটি তাদের বেতন অনুমানের পেছনের পদ্ধতিটিও ব্যাখ্যা করেছে।

হিসাবে দেখা গেছে, কাল্পনিক চরিত্র ব্রুস ওয়েন ওরফে ব্যাটম্যানই বার্ষিক নগদ আয়ে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে। ওয়েইন এন্টারপ্রাইজের সিইও হিসাবে ব্রুস এক বছরের ৯ লাখ ৮৮ হাজার ৯০২ ডলার বেতন নেন। ফোর্বসের হিসাবে ব্রুস ওয়েনের মোট সম্পদের পরিমাণ ৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার।

বিজ্ঞাপন
default-image

অন্যদিকে স্বঘোষিত প্রতিভা, বিলিয়নিয়ার, প্লেবয়, জনহিতকর, আয়রনম্যান ওরফে টনি স্টার্ক যিনি বাবার সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে স্টার্ক ইন্ডাস্ট্রিজকে প্রসারিত করে এবং আয়রনম্যান স্যুটকে বিকশিত করেছেন। কাল্পনিক এই চরিত্রের বার্ষিক আয় ৮ লাখ ৯৪ হাজার ৯৮ ডলার। তৃতীয় নম্বরে আছেন অলিভার কুইন ওরফে গ্রিন অ্যারো, তাঁর বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৫১৪ ডলার। ফোর্বসের হিসাবে টনি স্টার্কের সম্পদের পরিমাণ ৯ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। মোট সম্পদে ফোর্বস কিছুটা এগিয়ে রেখেছে টনিকে।

যদিও সুপারহিরোদের অর্থের জন্য খুব বেশি কষ্ট হয় না। তবে তালিকায় দেখা গেছে, সবচেয়ে কম আয় সুপারহিরো অ্যান্টম্যানের। অ্যান্টম্যানের চরিত্রের নাম স্টক ল্যাং, বাস্কিন রবিনসে আইসক্রিম বিক্রি করেন। অবস্থা বেশি ভালো নয় অন্যতম জনপ্রিয় সুপারহিরো স্পাইডারম্যানেরও। এই ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফারের আয় বছরে মাত্র ১৮ হাজার ৬০৫ ডলার।

আসলে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে সুপারহিরোদের আয় বাস্তবের সঙ্গে তুলনা করার একটা প্রচেষ্টায়। তবে সত্য হলো এই জাতীয় চরিত্রগুলোর কাল্পনিক সম্পদ অনেক বেশি। অবশ্য তা না হলে ব্যাটম্যান এবং আয়রনম্যানের এই অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র, মহাকাশ বহনকারী যানবাহন তৈরির বিষয়টি তুলে ধরা সম্ভব হতো না। প্রযুক্তির যে ব্যবহার তাঁরা করেন, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতেই ধনী বানানো হয়েছে এই চরিত্রগুলোকে।

এদিকে এমন ধরনের প্রতিবেদন তৈরি করেছে ফোর্বসও। একটি প্রতিবেদনে সংস্থাটি অনুমান করেছে যে সর্বকালের সবচেয়ে ধনী কাল্পনিক চরিত্র হলো স্ক্রুজ ম্যাকডাক। ডিজনির এই কাল্পনিক চরিত্র হলো খলনায়ক। অন্যদিকে মানি ইনকের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের তো বটেই, সমগ্র সুপারহিরোদের মাঝে সবচেয়ে ধনী সুপারহিরো 'ব্ল্যাক প্যান্থার'।

মন্তব্য পড়ুন 0