বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস বলছে, রিয়ানা এখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারী সংগীতশিল্পী। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার। এই সম্পদের সিংহভাগই এসেছে তাঁর প্রসাধন কোম্পানির ব্যবসা থেকে। কসমেটিফাইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে রিয়ানার ফেন্টি বিউটির আয় ছিল প্রায় ৫৬ কোটি ৬১ লাখ ডলার। ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ৭ লাখ।

default-image

জেসিকা অ্যালবারের দ্য অনেস্ট

হলিউড অভিনেত্রী জেসিকা অ্যালবারের কোম্পানির নাম ‘দ্য অনেস্ট কোম্পানি’। ২০১২ সালে মাত্র ১০ জন কর্মী নিয়ে যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। তিন বছরে সেই প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান হয় ৩০০ জনের। অভিনব ব্যবসায়িক কৌশল ও উদ্ভাবনী চিন্তার কারণে এই অভিনেত্রী ২০১৫ সালে ফোর্বস সাময়িকীর প্রচ্ছদে ‘আমেরিকার রিচেস্ট সেলফ-মেড উইমেন’ হিসেবে নাম লেখান। ভোগ্যপণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে একের পর এক নতুন রেকর্ড করেছে তাঁর কোম্পানি। ৪০ বছর বয়সী জেসিকা অ্যালবা এ কারণে এখন হলিউডে এক চমৎকার রোল মডেল। গত বছর তাঁর এই কোম্পানির আয় ছিল ২২ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার। ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ১০ লাখের বেশি।

default-image

কাইলি জেনারের কাইলি কসমেটিকস

মার্কিন রিয়েলিটি শো তারকা কাইলি জেনার। মাত্র ২১ বছর বয়সে এই তারকা বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী বিলিয়নিয়ার হয়েছেন। কাইলি জেনারের এই বিপুল সম্পদের উৎস তাঁর প্রসাধনীর ব্যবসা। ‘কাইলি কসমেটিকস’-এর প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ২০১৬ সালে এই ব্যবসা শুরু করেন। ফোর্বস-এর তথ্য অনুযায়ী, মাত্র দুই বছরে কোম্পানিটির বাজারমূল্য ৮০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়। কোম্পানির আয় বছরে ১৪ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার।

কাইলি ব্যবসা শুরু করেছিলেন ২২ পাউন্ড দামের ‘লিপ কিটস’ দিয়ে। এর মধ্যে ছিল ম্যাচিং লিপস্টিক ও লিপ লাইনার। এক মিনিটের কম সময়ের মধ্যেই তাঁর স্টক শেষ হয়ে গিয়েছিল। ভক্তরা হামলে পড়ায় শুরুর সময়েই তাঁর ওয়েবসাইট ক্র্যাশ করেছিল। তাঁর কসমেটিকস সামগ্রী বিক্রি হয় মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর যে অ্যাকাউন্ট, সেটির মাধ্যমে। ইনস্টাগ্রামে অনুসারীর সংখ্যার দিক দিয়ে কাইলিকে ছাড়ানো কঠিন। তাঁর অনুসারীর সংখ্যা আড়াই কোটির বেশি। এর চার ভাগের মধ্যে তিন ভাগেরই বয়স ১৮ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে।

default-image

লেডি গাগার হাউস ল্যাবরেটরিজ

২০১৯ সালে যাত্রা শুরু করে মার্কিন পপ তারকা লেডি গাগার প্রসাধন কোম্পানি ‘হাউস ল্যাবরেটরিজ’। দুই বছরের মধ্যে পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন তিনি। তাঁর কোম্পানির আয় ১৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ৮০ লাখের বেশি।

default-image

জেফরি স্টারের কসমেটিকস ব্র্যান্ড

সবচেয়ে বেশি আয় করা তারকা বিউটি ব্র্যান্ডের তালিকায় ৫ নম্বরে আছেন মার্কিন ইউটিউবার ও মেকআপ আর্টিস্ট জেফরি স্টার। তাঁর কোম্পানির আয় ৭ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুসারীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়, ৬৭ লাখ।

এ ছাড়া একই তালিকায় শীর্ষ দশের মধ্যে আছেন সিন্ডি ক্রফোর্ড, কিম কার্ডাশিয়ান ওয়েস্ট, সেলেনা গোমেজ, ড্রিউ ব্যারিমুর ও গিনেথ প্যালেট্রা। একসময়ের সুপারমডেল ও মার্কিন অভিনেত্রী সিন্ডি ক্রফোর্ডের ‘মিনিংফুল কোম্পানির’ বয়স ১৭ বছর। গত বছর তাঁর এ কোম্পানির আয় ছিল ১০ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। মার্কিন রিয়েলিটি শো তারকা, অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী কিম কারদাশিয়ান ওয়েস্ট ব্যবসায়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন চার বছর আগে। তাঁর প্রসাধন পণ্যের কোম্পানি কেকেডব্লিউ, যার আয় ৯ কোটি ৯৩ লাখ মার্কিন ডলার। গায়িকা সেলেনা গোমেজ প্রসাধন ব্যবসায় নিজের নাম লেখান গত বছর। সুগন্ধি, সাবান, তেলের মতো পণ্য বিক্রি হয় তাঁর কোম্পানি রেয়ার বিউটিতে। এক বছরেই তাঁর কোম্পানির আয় ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার। আর মার্কিন অভিনেত্রী গিনেথ প্যালোট্রার ‘মডার্ন লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডের’ বয়স ১৩ বছর। বার্ষিক আয়ের পরিমাণ ৪ কোটি ৪৬ লাখ ডলার।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন