default-image

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ৭৯ কোটি ১০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছেন ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী জেফ বেজোস। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৬ হাজার ৬৯০ কোটি টাকা। গতকাল সোমবার ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে এই অনুদানের কথা জানান বিশ্বের এই শীর্ষ ধনী। ওই পোস্টে তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কাজ করা ১৬টি সংস্থাকে এই অর্থ দিয়েছেন তিনি।

গত ফেব্রুয়ারিতে জেফ বেজোস ঘোষণা দেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এক হাজার কোটি ডলার অনুদান দেবেন তিনি। এই তহবিলের নাম দেওয়া হয় ‘বেজোস আর্থ ফান্ড’। ১৬ সংস্থাকে দেওয়া এই অনুদান হলো বেজোস আর্থ ফান্ডের প্রথম অনুদান। ফোর্বসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গতকাল সোমবার ইনস্টাগ্রামের ওই পোস্টে বেজোস লেখেন, ‘কয়েক মাস ধরে অবিশ্বাস্য কিছু স্মার্ট মানুষের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়েছি আমি। যারা জলবায়ু পরিবর্তন ও বিশ্বজুড়ে সম্প্রদায়ের ওপর এর প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াই তাদের জীবন দিয়ে দিচ্ছেন। আজ আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বেজোস আর্থ ফান্ড থেকে ১৬টি সংস্থাকে অনুদান দিয়েছি।’

বিজ্ঞাপন

যে ১৬ সংস্থা এ অনুদান পেয়েছে সেগুলো হলো দ্য ক্লাইমেট অ্যান্ড ক্লিন এনার্জি ইকুইটি ফান্ড (৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার), ক্লাইমেট ওয়ার্কস ফাউন্ডেশন (৫ কোটি ডলার), ড্রিম ক্রপস গ্রিন ফর অল (১ কোটি ডলার), এডেন রিফরেস্টেশন প্রজেক্ট (৫০ লাখ ডলার), এনার্জি ফাউন্ডেশন (৩ লাখ ডলার), এনভায়রনমেন্টাল ডিফেন্স ফান্ড (১০ কোটি ডলার), দ্য হাইভ ফান্ড ফর ক্লাইমেট অ্যান্ড জেন্ডার জাস্টিস (৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার), ন্যাচারাল রিসোর্সেস ডিফেন্স কাউন্সিল (১০ কোটি ডলার), এনডিএন কালেকটিভ (১ কোটি ২০ লাখ), রকি মাউন্টেন ইনস্টিটিউট (১ কোটি ডলার), স্লক ইনস্টিটিউট ফর বায়োলজিক্যাল স্টাডিজ (৩ কোটি ডলার), দ্য সলিউশন প্রজেক্ট (৪ কোটি ৩০ লাখ), ইউনিয়ন অব কনসার্নড সায়েন্টিস্ট (১ কোটি ৫০ লাখ ডলার), ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউট (১০ কোটি ডলার) ও ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড (১০ কোটি ডলার)।

এর আগেও অনেক ধনকুবের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কাজ করতে অনুদানের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম হলো মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, মিডিয়া উদ্যোক্তা ও নিউইয়র্কের সাবেক মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ, হেজ ফান্ডের টম স্টেয়ার।

মন্তব্য পড়ুন 0