বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, খাদ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রদানের লক্ষ্যে এমসিকিউ/লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ চলমান। পাশাপাশি নিয়োগ বিধি অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। নিয়োগ কার্যক্রমের বিভিন্ন ধাপে দালাল বা প্রতারক শ্রেণি খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগসংক্রান্ত কাজে জড়িত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয় আছে বা যোগসাজশ স্থাপন করে দেবেন—এমন প্রলোভন দেখিয়ে আবেদনকারীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের চেষ্টা করে থাকতে পারে।

খাদ্য অধিদপ্তরের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগসংক্রান্ত কাজে অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা আর্থিক অনিয়মে জড়িত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী ও সচিব এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সুস্পষ্ট ঘোষণা ও অঙ্গীকার অনুযায়ী খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ প্রক্রিয়া শতভাগ স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতপূর্বক চলমান আছে। এ ছাড়া ‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, নিশ্চিত হবে যোগ্য ব্যক্তির নিয়োগ অধিকার’—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে সবাইকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, খাদ্য অধিদপ্তরের অধীন নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে কোনো দালাল বা প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে আর্থিক লেনদেন কিংবা অসদুপায় অবলম্বন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হলো। এই বিজ্ঞপ্তির ব্যত্যয় করে কোনো ব্যক্তি দালাল বা প্রতারক চক্রের সঙ্গে নিয়োগসংক্রান্ত কাজে আর্থিক লেনদেন কিংবা প্রতারণা করলে উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে তাঁদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্যও অনুরোধ করা হলো।

এ ছাড়া খাদ্য অধিদপ্তরের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগসংক্রান্ত কাজে অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা আর্থিক অনিয়মে জড়িত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চাকরি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন