বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
করোনাকালে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে দ্রুত শিক্ষকসংকট দূর করতে প্যানেল বাস্তবায়ন করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া জরুরি।
মুহাম্মদ আবদুল কাদের, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক প্যানেল প্রত্যাশী-২০১৮ এর সভাপতি

মানববন্ধনে সংগঠনটির সভাপতি মুহাম্মদ আবদুল কাদের বলেন, করোনাকালে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে দ্রুত শিক্ষকসংকট দূর করতে প্যানেল বাস্তবায়ন করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া জরুরি।

মানববন্ধন থেকে বলা হয়, ২০১৮ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার্থী ছিলেন ২৪ লাখ। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৫৫ হাজার ২৯৫ জন। তাঁদের মধ্যে ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়। সুপারিশকারীদের মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি কর্মস্থলে যোগদান করেননি। অথচ প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে ২৮ হাজার ৭৩২টি শূন্যপদ আছে।

মানববন্ধনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু হাসান বলেন, প্রতিবছর সময়মতো প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয় না। এ কারণে শিক্ষার মূল ভিত্তি দুর্বল হয়। তিনি বলেন, দেশের শূন্যপদের ভিত্তিতে প্যানেল নিয়োগ বিসিএস, ব্যাংক-বিমা ও স্বাস্থ্য খাতসহ আরও অনেক খাতে চালু আছে। প্রাথমিকেও আগে প্যানেল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাই ব্যাংক নিয়োগের মতো প্যানেল পদ্ধতিতে নিয়োগ জরুরি।

মানববন্ধনে নিয়োগপ্রার্থীরা বলছেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভায় প্রাথমিক পর্যায়ে সহকারী শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণে শিগগির নিয়োগ দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। তবে সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নেই। এ সিদ্ধান্ত শিগগির বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

চাকরি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন