কোভিড-পরবর্তী ক্ষুদ্র আকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রকল্পের আওতায় এ সহায়তা যুবক, গ্রামীণ উদ্যোক্তা, বিদেশ থেকে ফিরে আসা অভিবাসী শ্রমিক, বিশেষ করে নারী, যাঁরা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত, তাঁদের পরিচালিত সিএমএসইগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করবে।

ইআরডির সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন বলেন, এ সহায়তা কোভিড-১৯ মহামারি থেকে আর্থসামাজিক পুনরুদ্ধারে সরকারের প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে সমর্থন করবে।

এডিবির আবাসিক পরিচালক এডিমন জিনটিং বলেন, খাতভিত্তিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি বিশদ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে, ব্যাংকের সর্বোত্তম ব্যবহার ও প্রশিক্ষণ প্রসারিত করে এবং ঋণগ্রহীতাদের ব্যবসায়িক উন্নয়ন সহায়তার মাধ্যমে একটি বিশদ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে সিএমএসইকে অর্থায়নের ক্ষেত্রে মূল বাধাগুলো দূর করবে।

প্রকল্পটি থেকে আগামী ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কমপক্ষে ৪৫ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

এডিমন জিনটিং আরও বলেন, উদ্ভাবনী পদ্ধতি গ্রহণ ছাড়াও প্রকল্পটি ঋণের সাশ্রয়ী মূল্য ও উপলব্ধতার ভারসাম্যও বজায় রাখবে, যাতে ঋণের সুদ কম হয়, যাতে সেই হার সিএমএসইগুলোকে ব্যাংকের ঋণ প্রদানে অসংবেদনশীল না করে।

প্রকল্পটি থেকে আগামী ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কমপক্ষে ৪৫ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

চাকরি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন