প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৫৬৬টি। এগুলোতে শিক্ষকের অনুমোদিত পদ আছে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৭০১টি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২০ সালে সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্য পদের নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল। কিন্তু করোনা মহামারির বাস্তবতায় এই নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ করা যায়নি। ইতিমধ্যে অবসরজনিত কারণে আরও ১০ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে গেছে। এতে করে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক ঘাটতি দেখা দিয়েছে; যা পাঠদান কাযর্ক্রমকে ব্যাহত করছে।

এই সমস্যা নিরসনে মন্ত্রণালয় আগের বিজ্ঞপ্তির শূন্য পদ ও বিজ্ঞপ্তির পরের শূন্য পদ মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এই নিয়োগ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতির কথা বলতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, কোন পরীক্ষার্থী কোন সেটের প্রশ্ন পাবেন, তা পরীক্ষা শুরুর ৫ মিনিট আগে জানতে পারবেন। ভিন্ন সেটে পরীক্ষা দিলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।

পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ১ ঘণ্টা আগে নির্ধারিত আসন গ্রহণের নির্দেশনা আছে জানিয়ে জাকির হোসেন বলেন, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষাকেন্দ্রের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রের রঙিন ছবি ও স্বাক্ষর এবং রঙিন ছবিযুক্ত হাজিরা শিটে পরীক্ষার্থীর চেহারা মিলিয়ে দেখা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আমিনুল ইসলাম খান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম।

চাকরি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন