বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ৩১ হাজার স্কুলশিক্ষকের পদের জন্য চাকরি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১৬ লাখ চাকরিপ্রত্যাশী। সরকারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের জন্য রাজস্থান এলিজিবিলিটি এক্সামিনেশন (আরইইটি) নামের এ পরীক্ষায় পাস করতে হয় চাকরিপ্রত্যাশীদের। তিন বছর পর স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হচ্ছে।

রাজস্থান মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড স্কুলশিক্ষক পদের পরীক্ষা আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে। ৩ হাজার ৯৯৩টি কেন্দ্রে এ নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। ১৬ জেলায় আজ সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট ও এসএমএস/এমএমএস সেবা বন্ধ থাকছে।

এ পরীক্ষার জন্য রাজস্থানের জয়পুর, উদয়পুর, বিলওয়ারা, আলওয়ার, বিকানার, দৌসা, চিতোরগড়, বারমার, টঙ্ক, আজমির, নাগৌর, সওয়াই মাধপুর, কোটা, বুন্দি, সিকার ও ঝালাওয়ার মুঠোফোন ইন্টারনেট ও খুদে বার্তা (এসএমএস) সেবা বিঘ্নিত হবে। প্রয়োজনে অন্য জেলাতেও এসব সেবা বন্ধের নির্দেশ দিতে পারবে কর্তৃপক্ষ।

স্কুলশিক্ষকের চাকরির এই নিয়োগ পরীক্ষার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। করোনা সংক্রমণের কারণে বাড়তি সতর্ক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্য কর্তৃপক্ষ।

গতকাল শনিবার রাত থেকেই গন্তব্যে যাওয়ার জন্য রাজস্থানের ৩৩ জেলার বাসস্ট্যান্ডগুলোয় পরীক্ষার্থীদের ভিড় দেখা গেছে। সরকার চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য বাস ও ট্রেনে বিনা মূল্যে ভ্রমণের ব্যবস্থা করেছে। উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রার্থীদের কেন্দ্রে যাওয়া ও বাড়ি ফেরার জন্য ২৬টি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থাও করেছে।
রাজস্থান মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ডিপি জারোইলি পিটিআইকে বলেছেন, নিয়োগ পরীক্ষার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোনো অনিয়মের সুযোগ নেই। পরীক্ষায় অংশ নিতে যাঁরা একাধিক আবেদন করেছেন, তাঁদের শনাক্ত করা হয়েছে।

খবর থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন