বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইমরান হোসেন নামের এক চাকরিপ্রার্থী বলেন, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে ৬০ শতাংশ নারী কোটা, ২০ শতাংশ শিক্ষকদের পোষ্য তথা পরিবার কোটা আর ২০ শতাংশ বিজ্ঞান কোটা রাখা হয়েছে। সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে, প্রতিবন্ধী, এতিম বা অনগ্রসর শ্রেণিকে বিশেষ বিবেচনায় কোটা প্রদান করা যাবে। কিন্তু সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সেটি মানা হয়নি। অথচ শিক্ষকদের সন্তান ও স্ত্রীদের জন্য কোটা রাখা হয়েছে ২০ শতাংশ।

অধিকারবঞ্চিত বেকারসমাজের আহ্বায়ক তারেক রহমান বলেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগে এই বৈষম্যমূলক কোটা বাতিলে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন করা হয়েছে। এ কোটা কেন বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে উচ্চ আদালত রুল জারি করেছেন। এর মধ্যেও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নিয়োগের তৎপরতা চালাচ্ছে, যা আদালতের স্পষ্ট অবমাননা। কোটা বাতিল করে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ২২ এপ্রিলে যে পরীক্ষার তারিখ দেওয়া হয়েছে, তা স্থগিত করতে হবে।

খবর থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন