default-image

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন। মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের জন্য এক বিজ্ঞপ্তিতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) বলেছে, কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত হওয়ার কারণে পরীক্ষার্থীরা যদি মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারেন, এনটিআরসিএকে জানাতে হবে। প্রার্থীকে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার মেডিকেল সনদসহ এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে ই–মেইলের মাধ্যমে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এনটিআরসিএর এক বিজ্ঞপ্তিতে আজ মঙ্গলবার এসব কথা বলা হয়েছে। এনটিআরসিএর বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পরে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সুস্থতার পক্ষে করোনোর নেগেটিভ সনদসহ প্রার্থীকে আবেদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে জরুরি যোগাযোগের জন্য এনটিআরসিএর সহকারী পরিচালক (পমূপ্র–১) ফিরোজ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যোগাযোগ নম্বর: ফোন ০২–৫৫১৩৮৫০৮, মোবাইল ০১৫২১৫৬০৬০৪।

বিজ্ঞাপন

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে। শিক্ষক নিবন্ধনের ভাইভার কার্ডও প্রকাশ করেছে এনটিআরসিএ। ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে লগইন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের এসএমএস পাঠিয়ে মৌখিক পরীক্ষা ও অ্যাডমিট কার্ড প্রকাশের বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রবেশপত্রে প্রার্থীদের নিজ নিজ ভাইভার তারিখ উল্লেখ করা আছে। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (http://ntrca.teletalk.com.bd/admitcard/index.php) ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে ভাইভার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে। ডাউনলোড করা প্রবেশপত্রটি প্রিন্ট করে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রবেশপত্রে দেওয়া নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে প্রার্থীদের।

default-image

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ। ২২ হাজার ৩৯৮ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ১১ নভেম্বর রাতে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে গত বছরের ১৫ ও ১৯ নভেম্বর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৯–এর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৫।

উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা স্কুল-২ পর্যায়ে ১ হাজার ২০৩ জন, স্কুল পর্যায়ে ১৭ হাজার ১৪০ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ৪ হাজার ৫৫ জনসহ সর্বমোট ২২ হাজার ৩৯৮ জন।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে সার্বিক পাসের গড় হার ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ। উল্লেখ্য, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান পরবর্তী সময়ে ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন