default-image

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫৪ হাজার ৩০৪টি শিক্ষক পদে নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। তবে কিছু অসাধু ব্যক্তি শূন্য পদের তথ্য সংশোধনের জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, যা দণ্ডনীয় অপরাধ বলে মন্তব্য করেছে এনটিআরসিএ। এনটিআরসিএ বলেছে, শূন্য পদের তথ্য সংশোধনের নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে, বর্তমানে শূন্য পদে তথ্য সংশোধনের সুযোগ নেই। এ–সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে এনটিআরসিএ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানে) মোট ৫৪ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ থেকে সম্প্রতি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ইদানীং লক্ষ করা যাচ্ছে যে কিছুসংখ্যক অসাধু ব্যক্তি বা চক্র নিজেদের হীন স্বার্থসিদ্ধির জন্য এ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম ব্যবহার করে নিয়োগ প্রদানের নামে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করছে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদের সংখ্যা সংশোধনের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে, যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। শূন্য পদ সংশোধনের নির্ধারিত সময় ১৪ মার্চ শেষ হয়েছে। ফলে বর্তমানে শূন্য পদ সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই।

default-image
বিজ্ঞাপন

এনটিআরসিএ আরও বলছে, প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন অনলাইনে গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রার্থী নির্বাচন, প্রার্থীর বিপরীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন এবং প্রার্থীদের নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পদায়নসহ সব কার্যক্রম নির্ধারিত সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটার সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সম্পাদন করা হবে। অসাধু ব্যক্তি বা চক্রের পক্ষে কোনো প্রার্থীর অনুকূলে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। কোনো ব্যক্তি বা প্রতারকের মিথ্যা আশ্বাসে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হলো।

খবর থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন