প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটিতে কোনো কর্মী হোম অফিস করার আবেদন জানালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সেই আবেদন খারিজ করে দিতে পারে। নতুন আইন সিনেটের অনুদোন পেলে কর্মীর এই আবেদন প্রতিষ্ঠানকে রাখতেই হবে। এরপরও যদি প্রতিষ্ঠান কর্মীকে সেই অনুমতি না দেয়, তাহলে উপযুক্ত কারণ দেখাতে হবে।

default-image

নেদারল্যান্ডসের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ও হোম অফিস বিল উত্থাপনকারীদের একজন সেনা মাতুগ বলেন, আইনটি অনুমোদন পেলে কর্মীরা ভালো কর্মজীবনের ভারসাম্য খুঁজে পাবেন এবং অফিসে যাতায়াতে যে সময় ব্যয় হয়, তা অনেক কমে যাবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মূলত নতুন বিলটি নেদারল্যান্ডসের ফ্লেক্সিবল ওয়ার্কিং অ্যাক্ট–২০১৫–এর একটি সংশোধনী। এই সংশোধনীতে কর্মীদের কাজের সময়, অফিসের সময়সূচি, এমনকি কাজের স্থান পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ায় বিশ্বে যখন হোম অফিস থেকে কর্মীদের অফিসে সশরীর হাজির হয়ে কাজ করানোর চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে, ঠিক সেই সময় নেদারল্যান্ডস কর্মীদের সুবিধা দিতে হোম অফিস আইন চালু করতে যাচ্ছে।

default-image

এমনিতেই সারা বিশ্বের প্রতিষ্ঠানগুলোকে হোম অফিস থেকে কর্মীদের অফিসে সশরীর ফিরিয়ে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন বাড়িতে বসে কাজ করায় অনেক কর্মীই আর অফিসে ফিরতে চাইছেন না। অফিসে ফেরার নির্দেশনা পেয়ে অনেক কর্মী চাকরিও ছেড়ে দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান টেসলার প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক নির্দেশ দিয়েছেন, কর্মীদের হোম অফিস থেকে সশরীর অফিসে ফিরতে হবে, না হলে তাঁদের চাকরি ছাড়তে হবে।

খবর থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন