বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উত্তর প্রদেশ
ভোট শুরুর আগে জরিপে দেখা যাচ্ছে, উত্তর প্রদেশে আবার যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে বিজেপিই ক্ষমতায় থাকছে। তবে আসন আগের চেয়ে কমবে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গড়বে তারাই। জরিপে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি এবার ভোটে ৪১ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পাবে। আখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি (এসপি) পেতে পারে ৩৩ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট। দলটি সব শেষ ২০১৭ সালের চেয়ে এবার ভালো করবে। বিজেপি ২২৩ থেকে ২৩৫টি আসন পেয়ে সরকার গড়তে পারে। সমাজবাদী পার্টি পেতে পারে ১৪৫ থেকে ১৫৭টি আসন। এ রাজ্যর এক সময়ের মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতীর বহুজন সমাজবাদী পার্টি (বিএসপি) এবং কংগ্রেস ভালো ফলাফল করতে পারবে না। সমীক্ষা বলছে, মায়াবতীর দল ১৬টি এবং কংগ্রেস ৩ থেকে ৪টি আসন পেতে পারে। ৪০৩ আসনের উত্তর প্রদেশ বিধানসভায় ২০১৭–র ভোটে বিজেপি ৩২৫টি আসন পেয়েছিল। সমাজবাদী পার্টি পেয়েছিল ৪৮টি আসন। বিএসপি ১৬টি এবং কংগ্রেস ৭টি আসন পেয়েছিল। অন্যরা চারটি আসন দখল করেছিল। সমীক্ষা যদি সঠিক হয়, তাহলে সমাজবাদী পার্টি তিন গুণ বেশি আসন পাচ্ছে।

default-image

পাঞ্জাব নির্বাচন
টাইমস নাউ–এর জনমত জরিপে এবারের পাঞ্জাব নির্বাচনে আম আদমি পার্টি বেশি ভোট পাবে। জরিপে অংশ নেওয়া উত্তরদাতাদের বেশির ভাগই আম আদমি পার্টির নেতা ভগবন্ত মানকে পাঞ্জাবের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

উত্তরাখণ্ড নির্বাচন
টাইমস নাউ সমীক্ষায় দেখা গেছে, বিজেপি এ বছরের উত্তরাখন্ড নির্বাচনে ক্ষমতায় ফিরে আসবে। সমীক্ষা অনুসারে, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি সবচেয়ে পছন্দের মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী।

গোয়া রাজ্য নির্বাচন
এখনো এ রাজ্য প্রমোদ সাওয়ান্তের নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ক্ষমতায়। এ সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও বিস্তর। দুর্নীতির অভিযোগের কারণে এ বছরের নির্বাচনে ফলাফলের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। সমুদ্রসৈকতের জন্য ব্যাপক পরিচিতি পাওয়া এ রাজ্যে আম আদমি পার্টিও (এএপি) ভালো করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এ রাজ্যে অবশ্য বিজেপিই আবার ক্ষমতায় আসবে।

default-image

ভারতে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। এরই মধ্যে আগামী মাস থেকে শুরু হচ্ছে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। অপর এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৩১ শতাংশ ভারতবাসী চাচ্ছেন না এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন হোক।

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে নির্বাচন নিয়ে জনমত যাচাই করতে সমীক্ষাটি চালিয়েছে ডিজিটাল কমিউনিটিনির্ভর একটি প্ল্যাটফর্ম। সেখানে নির্বাচনের বিপক্ষে ৩১ শতাংশ মানুষের মত দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। পাশাপাশি ৪১ শতাংশ মানুষ চাচ্ছেন ভোট নিয়ে সব ধরনের রাজনৈতিক প্রচারণা ও জনসভা বন্ধ হোক। ২৪ শতাংশ বলছেন, জনসভা বন্ধ থাক, তবে নির্বাচন হোক। অপর দিকে ৪ শতাংশ বলেছেন, নির্বাচন করোনা সংক্রমণের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না। ভারতের ৩০৯টি জেলার ১১ হাজার মানুষের মতামত নিয়ে সমীক্ষাটি চালানো হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছেন ৬৮ শতাংশ পুরুষ এবং ৩২ শতাংশ নারী। এ ছাড়া নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৫ রাজ্যের ৪ হাজার ১৭২ জন ভোটারের মতামতও নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন