বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সোমবার সকালে ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি’–এর ব্যানারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বরাবর পদযাত্রা কর্মসূচি করতে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকেরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হন। দুপুর সাড়ে ১২টায় শহীদ মিনার থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করলে পুলিশ শাহবাগ মোড়ে তাঁদের বাধা দেয়। এ সময় আন্দোলনকারীরা শাহবাগে জাদুঘরের সামনে বসে পড়েন। প্রধানমন্ত্রীর দেখা না পাওয়া পর্যন্ত শাহবাগেই অবস্থান করার ঘোষণা দেন তাঁরা।

প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সমন্বয়ক আরিফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সারা দেশে প্রায় ২ হাজার ৬৯৭টি প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয় রয়েছে। স্কুলগুলোর সঙ্গে প্রায় ৬০-৭০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী জড়িত, প্রায় ছয় লাখ শিক্ষার্থী এসব বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। স্কুলগুলোতে বৃত্তিমূলক শিক্ষা দেওয়া হয়। ২০০৯ সালে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় নীতিমালা প্রণয়ন করা হলেও এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি৷

আরিফুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের কাছ থেকে সোমবার দুপুরে শাহবাগ থানার পুলিশ তিন সদস্যের নাম নিয়েছে। এরপর এখন পর্যন্ত কিছুই জানানো হয়নি। অবস্থান কর্মসূচি শুরুর সময় দুই হাজার শিক্ষক অংশ নিলেও এই মুহূর্তে পাঁচ শর বেশি শিক্ষক এখানে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ না পাওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চলবে।’

প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ১১ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিয়োগের তারিখ থেকে বেতন–ভাতা দেওয়া, সব বিদ্যালয়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা, প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলাম অনুযায়ী বিনা মূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ নিশ্চিত করা, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উপযোগী স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশন করা, চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা উপকরণ শতভাগ নিশ্চিত করা, প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয়গুলোতে আধুনিক থেরাপি সরঞ্জাম সরবরাহসহ থেরাপি সেন্টার চালু করা, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেষে যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানসহ আত্মনির্ভরশীল জীবনযাপনের নিশ্চয়তা দেওয়া।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন