বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কুয়াশা উৎসব আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আল জাবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘কুয়াশাকে অনেকেই নিরাশার প্রতীক মনে করে। সে ধারণা পাল্টে কুয়াশাকেই আশার প্রতীক মনে করাতে এ আয়োজন। এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রত্যন্ত অঞ্চলে হওয়ায় এখানে ঘন কুয়াশা পড়ে। নাগরিক জীবনে এখন মানুষ কুয়াশা খুব বেশি দেখতে পায় না। এ ছাড়া আমাদের প্রত্যেকেরই শীত নিয়ে রয়েছে শৈশব স্মৃতি। শীতে নবান্ন ঘিরে গ্রামে গ্রামে হতো নানা আয়োজন। সেসব স্মৃতি আমাদের জীবনে চলার সঙ্গী হয়ে থাকে। কুয়াশা উৎসবে আমরা সবাই সেসব দিনের স্মৃতিও মন্থন করতে পারি। এককথায় কুয়াশার মধ্যেও আমরা সবাইকে আশা দেখাতে চাই। তাই এ আয়োজন।’

default-image

২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো কুয়াশা উৎসবের আয়োজন করা হয়। এবার চলছে দ্বিতীয়বারের আয়োজন।

এ উৎসব আয়োজনের সূচিতে রয়েছে আবহমান বাংলার নানা ঐতিহ্য বহন করে এমন সব অনুষ্ঠান। রয়েছে আদিবাসী নৃত্য, নজরুল উৎসর্গে নৃত্য, গান ও কবিতা, লোকগান, কীর্তন, চলচ্চিত্র প্রদর্শনীসহ আরও অনেক আয়োজন।

default-image

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের সহযোগী পরিচালক এস এম হাফিজুর রহমান বলেন, কুয়াশা উৎসবটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে না হলেও এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মিলেই আয়োজন করেছেন। শিক্ষার্থীরা আয়োজন খুব উপভোগ করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নওশাদ আল সাইম জানান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়াশা উৎসবটি একটি সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা এ উৎসবে যোগ দিয়েছেন। এ ছাড়া ত্রিশালের সাধারণ মানুষও এ উৎসবে এসেছেন।

default-image

দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে আজ সকালের পর্বে ধ্রুপদি বাংলা গানের পর্বের পর বিরতি চলে। বেলা সাড়ে তিনটা থেকে দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়ে চলবে রাত ১১টা পর্যন্ত। এর মধ্যে নাটক, সাহিত্যবিষয়ক আলোচনা, কবিতা পাঠ, আদিবাসীদের পরিবেশনা ও লোকগান হবে।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন