বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র এই আবাসিক হলটিতে ৬২৪ জন ছাত্রীর আসন ব্যবস্থা আছে। ১৬ তলাবিশিষ্ট এই ভবনটিতে ছাত্রীদের জন্য মোট ১৫৬টি কক্ষ, ১টি পাঠাগার, ১টি ক্যানটিন, ১টি ডাইনিং, প্রতি তলায় ৭টি করে শৌচাগার, ৯টি গোসলখানা ও ৪টি লিফট আছে।

হলের আবাসিক শিক্ষক প্রতিভা রানী বলেন, প্রতি কক্ষে চারজন ছাত্রীর থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রত্যেকের জন্য আলাদা খাট, পড়ার টেবিল ও লকারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
হলের প্রাধ্যক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামীমা বেগম বলেন, আসন বরাদ্দের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন চলতি মাসের মধ্যে শেষ হবে। আসন বরাদ্দের ক্ষেত্রে দরিদ্র, মেধাবী, জ্যেষ্ঠতা ও ঢাকার বাইরে থেকে আসা শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবে। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী, সাংস্কৃতিক ও খেলাধুলায় বিশেষ কৃতিত্ব অর্জনকারীদের জন্য কোটা থাকছে।

প্রাধ্যক্ষ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীর ক্লাস শুরু হলে ছাত্রীরা সরাসরি হলে উঠেই ক্লাসে অংশ নিতে পারবে। বর্তমানে শুধু ঘষামাজার কাজ বাকি। আমরা সম্পূর্ণ মেধা ও স্বচ্ছ যোগ্যতার ভিত্তিতে যাদের হলে আসন প্রয়োজন, তাদের নির্বাচন করব। হলে উঠতে কোনো সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না। তবে আমাদের লোকবল সংকট। লোকবল পেলে কাজ আরও দ্রুত শেষ হবে।’

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন