default-image
করোনার কারণে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সংকটে পড়েছে। এ অবস্থা মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে ক্লাস নেওয়া, টিউশন ফিতে ছাড়সহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আহমেদ দীপ্ত

করোনা পরিস্থিতির শুরুতেই আমরা টের পেলাম এটি দীর্ঘায়িত হতে পারে। তখন শিক্ষকদের ট্রেনিং দিয়ে, মিটিং করে, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। আমাদের ভাবনা ছিল, থেমে যাওয়া যাবে না। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত ঘাটতি দূর করার যথাসাধ্য চেষ্টা করলাম। অনেক শিক্ষার্থী টিউশন ফি নিয়ে চিন্তিত ছিল। এ জন্য টিউশন ফি ৩০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়।

নানা সুবিধা দেওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগল। অনলাইন ক্লাসের উপস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখা গেল, শিক্ষার্থীর উপস্থিতি প্রায় ৯০ শতাংশ ছিল যেখানে, সাধারণ সময়ে ক্লাসে ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকত। করোনাকালে প্রথম দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই আমরা ঘুরে দাঁড়ালাম। লক্ষ্য ছিল, কোনো শিক্ষার্থী যেন শিক্ষাবঞ্চিত না হয়। করোনা-পরবর্তী সময়েও সামনাসামনি ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইনে পাঠদান চলবে।


আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ: উপাচার্য, নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি

বিজ্ঞাপন
শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন